সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

ইতিহাস লেবেল থাকা পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

চা- বাণিজ্য নীতি:কিভাবে চা ছড়িয়ে পড়ল ভারতবর্ষে/ Tea-Trade Policy: How Britishers created Tea market in India

  ঠিক কিভাবে ব্রিটিশরা ভারতবর্ষে চায়ের প্রসার এবং প্রচার করেছিল? কি কি বাণিজ্যিক কৌশল ব্যবহার করেছিল তারা?  ব্রিটিশরা ভারতীয় রেলপথকে ব্যবহার করেছিল চায়ের বাণিজ্যিক প্রসার এবং প্রচারের জন্য, বিনামূল্যে দেওয়া হ'ত চা খাবার কাপ, মহিলারাই ছিলেন প্রধানতম লক্ষ্য উপভোক্তা বা টার্গেট কাস্টমার  (target customer) - টেস্ট ওফ টাইম এর ‘Taste of Time’ এর লেখক মোহনা কাঞ্জিলাল লিখেছেন যে ব্রিটিশদের আসার আগে ভারতে চা  পান করা হতো না সেভাবে।  চীনের সাথে আফিম যুদ্ধ বা Opium Wars এর পরে আজ,  ভারত চীনের পরে বিশ্বের বৃহত্তম চা উৎপাদনকারী দেশ। এবং এর জন্য  ব্রিটিশদের এক গুরুত্ত্বপূর্ন ভূমিকা ছিল। ব্রিটিশরা শুধু আসাম এবং দার্জিলিংয়ে চা বাগান চালু করেনি বরং ভারতের উত্তর -পূর্ব, উত্তর ও দক্ষিণে অন্যান্য অঞ্চলে চা উৎপাদন শুরু করেছিল। ব্রিটিশদের মধ্যে ভারতীয় চায়ের ক্রমবর্ধমান জনপ্রিয়তা এই শিল্পের ক্রমাগত সম্প্রসারণকে উৎসাহিত করেছিল।চা গাছ লাগানো সংখ্যায় বাড়ছিল।  এই প্রসঙ্গে অরূপ কে চ্যাটার্জি লিখছেন যে ১৮৮৮ সালের মধ্যে আসাম, দার্জিলিং এবং অন্যান্য পার্বত্য অঞ্চল থেকে ব্রিটেনে চা রপ্তানি চীনকে ছাড়িয

ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির জাহাজ ভর্তি নতুন বছরের উপহার/ East India Company's Ship full of New Year’s Gift to India

  এক জাহাজ ভর্তি নতুন বছরের উপহার এসেছিল মুঘল সম্রাট জাহাঙ্গীরের কাছে  ১৬১৩ সালে।   আবু-আল-হাসানের ( ১৫৮৯-১৬৩০) চিত্রিত মোঘল সম্রাট জাহাঙ্গীরের ছবি: Image Courtesy : Wikimedia Commons কোনো উপহার কিভাবে আপনার কাছে আসে ? রঙিন কাগজে মুড়ে তার উপর সুন্দর  রিবন জড়িয়ে সাধারণত আমরা উপহার নিতে অভ্যস্ত, তাই তো ? আচ্ছা যদি এমন হয়, এক জাহাজ ভর্তি রং-বেরঙের উপহার আপনার কাছে এল? ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির এমনই একটি জাহাজ যা ১৬১৩ সালে ইংল্যান্ড থেকে সুরাটের জন্য যাত্রা করে। হেক্টর, হোপ, বান্টাম এবং সলোমনের ঘুরে ভারতে এসে পৌঁছেছিল সেই জাহাজ।  এই বিরাট নৌবহরটি  বহন করে এনেছিল ভারতবর্ষের তৎকালীন মুঘল সম্রাটের  জন্য বাছাই করা বহুমূল্য উপহার সামগ্রী; ব্যবসায়িক সুযোগ-সুবিধা পাওয়ার জন্যই এই উদ্যোগ অবশ্য।     মুঘল সম্রাট জাহাঙ্গীরের জন্য নির্বাচিত উপহারগুলির মধ্যে ছিল রৌপ্যমন্ডিত একটি স্কারলেট ক্লোক (scarlet cloak )  স্পিরিট ভর্তি মখমলে জড়ানো চেস্ট অফ বটল  ( chest of bottles ) এবং এসেছিল প্রচুর ছবি - ছবিগুলি ছিল কিং জেমস, তাঁর স্ত্রী কুইন অ্যান, টেমরলেন -স্বয়ং সম্রাট, ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির গভর্নর স্যার টমাস

বাণিজ্য নগরী মুম্বাই, সুয়েজ খাল এবং দেহ -ব্যবসা / Suez Canal, transformation of Mumbai and its Sex Trade

বাণিজ্য বিস্তার হচ্ছে, নাগরিক সভ্যতা ছড়িয়ে পড়ছে বন্দর-শহর তথা ভারতবর্ষের এই দামি বাণিজ্য নগরীটিতে। এর সঙ্গে সমান্তরালে পতিতালয়গুলি তৈরী হতে শুরু করে,পূর্ব ইউরোপীয় মহিলারাই সামলাতেন তা। সুয়েজ খাল এবং বোম্বাই নগরী , কি ভাবে সম্পর্কযুক্ত ?  ১৮৬৯  সালের ২৭ নভেম্বর,  দুর্ঘটনাটি ঘটে  মিশরে সুয়েজ খাল উদ্বোধনের ঠিক দশ দিন পরে,  মালপত্র  বোঝাই হয়ে  ভারতে আসছিল যে  জাহাজটি সেটি  লোহিত সাগরে ডুবে যায়।   শোক প্রকাশ  করেছিল  বোম্বাই গার্ডিয়ান । সাথে জানিয়েছিল যে, জাহাজটি আসছিল বোর্দো  থেকে, জাহাজের নাম  নোয়েল। সংবাদপত্রে উল্লিখিত, "বার্কটি সুয়েজ খালের মধ্যে  দিয়ে আসছিল ...গন্তব্য ছিল বোম্বাই, আর সঙ্গে নিয়ে আসছিল প্রচুর ওয়াইন" ।   অবশ্য, তাতে অন্যান্য জাহাজের  যাত্রাপথে কোনো  বাধার সৃষ্টি হয়নি। হয়নি কোনো অসুবিধাও। এই সুয়েজ খালের অল্প একটু ভূমিকা দেওয়া প্রয়োজন।  সুয়েজ খাল  ভূমধ্যসাগরকে লোহিত সাগরের সাথে সংযুক্ত করেছে; সুয়েজ খালের উন্মুক্তকরণ এক  বৈপ্লবিক পরিবর্তন ঘটিয়েছিল,  বিপ্লব ঘটিয়েছিল ইউরোপ এবং ভারতবর্ষের মধ্যেকার  বাণিজ্যিক সম্পর্কে -  কমিয়েছিল ইংল্যান্ড থেকে উপমহাদেশে ভ্র

পৃথিবীর দীর্ঘতম বাস রুট - কলকাতা থেকে লন্ডন / The World’s Longest Bus Route- From London To Kolkata

কলকাতা থেকে লন্ডনে যাবেন? বাসে চেপে ? ঠিক এইরকমই এক পরিকল্পনা করা হয়েছিল একবার... লন্ডন - কলকাতা - কলকাতা - লন্ডন , বাস সার্ভিস তাও    আবার লাক্সারি    বাস সার্ভিস। চমকে  উঠলেন    নাকি ? তা চমক লাগানো কথা বটে ! খাস কলকাতা থেকে বাস নিয়ে যাবে কিনা সুদূর লন্ডন ! হ্যাঁ , সত্যি।   বাস বটে একখানা। নাম তার এলবার্ট।   খাসা ট্যুর প্ল্যান হয়েছিল। কি দুঃখ হচ্ছে ? যেতে পারবেন না তাই ?  এত দুঃখ করার কিচ্ছু    নেই , সেই বাসে    এখনও চড়তে পারেন আপনি। কি বলছেন , তাই আবার হয় নাকি ? খুব    হয়। কিন্তু একটু টাইম মেশিনে চড়ে বসতে হবে যে !  Image  Courtesy: reddit.com  ১৯৬০   সালে   কলকাতা   থেকে ইংল্যান্ডের রাজধানী লন্ডন যাওয়ার জন্য একটি বাস সার্ভিস। ডবল ডেকার সমস্ত রকমের লাক্সারি সুবিধাযুক্ত বাস। এলবার্ট ট্যুর।    বিশ্বের দীর্ঘতম বাস রুটে   কলকাতা থেকে লন্ডন যাবার জন্য ভাড়ার পরিমান ধার্য হয়েছিল ১৪