সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

ডিসেম্বর, ২০২০ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

কাকে বলে স্ট্রিম অফ কনসাসনেস বা মগ্নচৈতন্য ? -পর্ব ১ / What is Stream of Consciousness? Part -1

কাকে বলে স্ট্রিম অফ কনসাসনেস ? সাহিত্য ধারায় এটি এক রীতি, বলতে গেলে লেখনীর এক ধরণ। সাহিত্যের আলোচনায়  কিংবা সমালোচনায় 'স্ট্রিম অফ কনসাসনেস'- ‘Stream of Consciousness’  বা মগ্নচৈতন্য শুধুমাত্র এক শব্দ নয়, এ এক অনন্য, এক স্বতন্ত্র জঁর  ।  মগ্নচৈতন্যের   স্রোত সাহিত্যসৃষ্টির এক অত্যন্ত গুরুত্ত্বপূর্ন ধারা,  যা কিনা  বিংশ শতাব্দীর কিছু বিখ্যাত লেখক   নিযুক্ত এক স্বতন্ত্র লেখন রীতি। নিজেদের লেখনীতে কিছু ঘটনা পরম্পরাকে  বর্ণনা করতে ব্যবহার করেছিলেন তারা ।  কিন্তু '  মগ্নচৈতন্য '  কী?  কেনই বা  এটি একটি 'ধারা' বা ' জঁর' ?  কিছু  পরিচিতি দিলাম বটে শুরুতে কয়েকটি শব্দকে আশ্রয় করে, তবে  বিস্তারিত আলোচনা  এগোবে আস্তে আস্তে।  এই আপাত সাধারণ এবং একইসঙ্গে ব্যাপকভাবে ভুল বোঝাবুঝির আশঙ্কা যুক্ত , সাহিত্যিক টার্মটির ধারণা  পরিষ্কার করতে সহায়তা করতে পারে হয়ত এই  আলোচনা ।   Image Courtesy: Steve Jhonson:pixels.com/free image প্রকৃতপক্ষে, ' মগ্নচৈতন্য  '   সাহিত্যের  জঁর  হিসাবে একেবারেই শুরু করেনি    তার  জীবন !  তবে ?   অবাক করা তথ্য এই  যে - সম্ভবতঃ এটি ছিল   এ

গোল্ডেন স্টেট খুনি / হত্যাকান্ড সিরিজ- পর্ব -৪ /Golden State Killer

এক ভয়ানক খুনির কাহিনী, প্রায় চল্লিশ বছর ধরে গোয়েন্দা আর পুলিশ বিভাগকে নাকানি -চোবানি খাইয়েছিল এই হত্যাকারী। '' এত ভোরে ফোন? উফফ একটু শান্তি নেই,, '' কথা গুলো মনে মনে বলে ব্যস্ত হয়ে টেলিফোনের দিকে হাত বাড়ালো সেক্রেমেন্টো পুলিশ ফাঁড়ির ডিউটিরত অফিসারটি। ঘড়িতে তখন কাঁটায় কাঁটায় ভোর ৫ টা ।  পুলিশ ফাঁড়ির সবাই তখন একটু ঝিমাচ্ছে। সারাটা রাত  ডিউটির পর, সবারই চোখে তখন হালকা ঘুম। হ্যাঁ, যা ভাবা হয়েছে তাই, বেশ বড়সড় বিপদ। এরপরেই দ্রুত নিজের নিজের কাজে নেমে পড়ল সবাই। ভোরের আলো  তখন সবে দেখা দিতে শুরু করেছে, কয়েকজন অফিসার গাড়ি নিয়ে রওনা হল ঘটনাস্থলের দিকে।   ১৯৭৬ সালের ১৮ই জুন।  পুলিশ পৌঁছয় অকুস্থলে, উদ্ধার করা হয় এক তরুণীকে, বয়েস তেইশের কাছাকাছি, পিছনে হাত পা বাঁধা অবস্থায় পরে ছিল সে, নাম শিলা। তবে এই অবস্থাতেও অসম সাহসিকতা আর ধৈর্যের পরিচয় দিয়েছে  সে। মুখ দিয়ে টেলিফোনটি প্রথমে মাটিতে ফেলে দেয় এবং তারপর পুরো শরীরটাকে পিছনে ঘুরিয়ে ওই বাঁধা হাত দিয়েই পুলিশের নম্বর এ ফোন করে। দেহে আঘাতের চিহ্ন ছিল। কাছের স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়, কয়েকদিন বাদে একটু সুস্থ হয়ে ওঠার পর