সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

নভেম্বর, ২০১৯ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

ব্রহ্মান্ডের শেষের দিন / TIMELAPSE OF THE FUTURE: A Journey to the End of Time (4K)

২০১৯ সালে শুরু করবো এই ব্রহ্মান্ডের ভ্রমণ, আমরা চলতে থাকবো এই মহাজাগতিক সময়ের সঙ্গে সঙ্গে , আর আমাদের যাত্রাপথে ধরা পড়বে অসাধারণ সব মহাজাগতিক বিস্ময়- এই মহাজাগতিক জীবন শেষের পথে আমরা, চোখ ভোরে দেখে নেবো আমরা এই সৃষ্টির আনন্দকে। যাত্রা  শুরু  করেছিলাম বিগ ব্যাং দিয়ে- আস্তে আস্তে অগ্রসর হচ্ছি শেষের সেই মহামিলনের দিকে  প্রত্যক্ষ করবো এই পৃথিবীর ভবিষ্যৎ, প্রকট হবে সূর্যের মৃত্যু, পরিসমাপ্তি ঘটবে সমস্ত নক্ষত্ররাজির পরিসমাপ্তি, দেখবো জম্বি গ্যালাক্সি,  ক্ষয়িত হতে থাকবে প্রোটন কণিকা, সাক্ষী থাকবো বিস্ফারিত কৃষ্ণগহ্বরের, ডার্ক এনার্জি তার প্রভাব বিস্তার করতে থাকবে, উঠে আসবে অল্টারনেট ইউনিভার্স এর কাহিনী এবং মিলিয়ে যাবে এই ব্রহ্মান্ড। আধুনিক বিজ্ঞান এই ভাবেই ভবিষ্যতের মহা জাগতিক চিত্র এঁকেছে। না, এখনও ছবিটা সম্পূর্ণ হয়নি। সময়ের সাথে সাথে আরও নতুন নতুন মহাজাগতিক দৃশ্যাবলী আমাদের চোখে ধরা দেবে, বিবর্তন ঘটতেই থাকবে এই মহাজাগতিক সত্যের। আরো অনেক সূত্র আবিষ্কৃত হবে, ব্রহ্মাণ্ডে প্রতিনিধিদের আরো অনেক কর্মকান্ডের পরিচয় আমরা পেতেই থাকবো। অনেক মহাজাগতিক সত্যের উদ্ঘাটন এখনো বাকি, নতুন নতুন অনেক ধাঁধ

ব্রহ্মান্ডের জন্ম ও মানবসভ্যতা / TIMELAPSE OF THE ENTIRE UNIVERSE

মহাজাগতিক সময়কে যদি  স্কেলে মাপা হয় তাহলে আমাদের মানব সভ্যতার অস্তিত্ত্ব চোখের একটা পলক পড়ার সঙ্গে সমতুল্য। এই ব্রহ্মান্ড সৃষ্টি হয়েছে বড় ব্যাং এর ফলে; ১৩.৮  বিলিয়ন বছর আগে শুরু হওয়া ব্রহ্মান্ডের সময়কালকে একটা ১০ মিনিটের ভিডিওতে তুলে ধরার এক অদম্য প্রচেষ্টা করা হয়েছে। প্রত্যেকটা ফ্রেমে বুঝতে পারি  আমরা সত্যই কতটা তরুণ, কত নবীন এই মানব-সভ্যতা। এবং আমাদের মহাবিশ্ব কতটা প্রাচীন এবং বিশাল। যা ছড়িয়ে আছে আমাদের চারপাশকে, যা ঘিরে আছে আমাদের অভিজ্ঞতাকে।   মহাবিস্ফোরণ অর্থাৎ বিগ ব্যাং  দিয়ে শুরু করে এবং হোমো সেপিয়েন্সগুলির উপস্থিতিতে সমাপ্তি, এই সম্পূর্ণ অভিজ্ঞতাটির  বৈজ্ঞানিক ধারাবাহিকতা বোঝানো হয়েছে সহজ মাধ্যমে।   প্রতি সেকেন্ডে ২২ মিলিয়ন বছর সময়কালকে ধরা হয়েছে এই ভিডিওটিতে, বিজ্ঞানের সজতর পরিভাষায় এই মহা সময়কালকে করা হয়েছে উন্মোচিত,  উদ্ভাসিত হয়েছে এক  অলীক, কল্পনাতীত কিন্তু সত্য ও তথ্য সমৃদ্ধ অনন্ত যুগ  ধরে সময়কালের মধ্যে প্রবহমান বিরাট ব্রহ্মান্ডের ছবি.।

দ'শে দশ/অনুগল্প সিরিজ- গল্প-৩/ Bengali Story

১. তুমি কি আমাকে ভালোবাসার বিনিময়ে কিছু চাও অনুরাধা , আমার কাছাকাছি থাকার বিনিময়ে কিছু কি চাও ?  কিছু দিতে তো পারবো না , সহস্রাব্দ পিচ্ছিল জ্যোতির্বলয় ,  তার গভিরে তার জলের আলগা আগল তুলে দেবো।  ২. হাওয়া আর বাতাসের কাছাকাছি গিয়ে কান পেতে শোনো , ওরা বলবে আমি ভালো আছি,  আলোর   মধ্যে   নয় সুরমা , জলের গর্ভ   আমাদের   নিয়তির কথকতা   জানান   দিয়েছিল। ৩. তোমার লেখা শেষ চিঠিটা পুরিয়ে ফেলেছি, ও'টিতে ভালবাসার কোনো আলো ছিলো না।  ৪. সহস্রাব্দ পৃথিবী আর পাটিগণিতিয় গুণিতকে লেখা বহমান রাহুকাল আমার।  ৫. হারানো খাতায়, হারানো কলমের নিবে লুকিয়ে থাকা শুকনো ঝর্ণা। ৬. তোমার মনের কুয়াশায় আমার না বলা কথারা পথ হারায়।     ৭. চাঁদের কুয়াশা বিনিময়ের মতো আবেশ লাগানো ভালোবাসা তোমার,সুরনজনা। ৮.হাজার বিনিময়ের সুতো ; এ শহর থেকে পালানোর ছুতো। ৯. কথার পিঠে কথারা বসে গেছে;  কতকাল পরে বসন্ত এসে গেছে।  ১০. আজো ফুল হয়ে ফুুটে আছে তোমার আমার ভালবাসা। 

ছ'য়ে ছটাক/ অনুগল্প সিরিজ -গল্প-২/ Bengali Story

১.  জানালাটার গ্রিলের মধ্যে দিয়ে নিজের চার হাত পা বের করে দিল সে, এবার শেকল দিয়ে বাঁধার কাজ শুরু হবে। ২.আমার পেনের কালিটা ধীরে ধীরে শেষ হয়ে আসছে ইতি, আমাদের এবার যাবার সময় হল,তৈরী হও।  ইতি আর রনজিত হাওয়ায় মিলিয়ে যেতে শুরু ক রল। ৩.  দ্রুত হাতে মাটি কোপাতে লাগল দিব্য, আর বিড়বিড় করতে লাগল। পূরবী পরে আছে একটু দূরে। রক্তে মাখামাখি। ৪. রুদ্র  তিথির   লেখা চিঠিগুলো গ্যাসের বারনারের মধ্যে গুজে দিচ্ছিল। বেশির ভাগটাই পু্ড়ে গেছে। আর দরকার নেই। ৫. গোলাপগঞ্জ আসার পথে তোমার চোখের পর্দার উপর আমারও ছায়া পড়েছিল, তবে বিস্ফোরণ কেন হয়েছিল সুরনজনা, ভরসা হারানোর বিস্ফোরণ। ৬.অসিতকুমার  ,  তোমার   জন্যই   অপেক্ষা   করে   আছি  ,  তুমি   এলে  .. আমি   এবার   উঠব ,  মনিমালা   সামনের   বটগাছটায়   গিয়ে   বসল। 

ছ'য়ে ছটাক /অনুগল্প সিরিজ- গল্প -১ /Bengali Story

অসীম আর মাধবীলতা অসীম.....এই যে এই দিকে, মাধবীলতা আবার ডাক দিলো,....... হ্যাঁ একদম ঠিক যাচ্ছ,......আমার হাতটা লক্ষ্য করে আস্তে আস্তে এগিয়ে এস, না না ওদিকে নয়.......ওদিকে কাঁটার ঝোপ......গায়ে ফুটে গেলে কেলেঙ্কারির একশেষ.....মাধবীলতা আর ভরসা রাখতে পারলো না, নিজেই এগিয়ে গিয়ে অসীমের হাত নিজের হাতের মধ্যে নিয়ে হাঁটতে লাগলো। অসীমের জামাকাপড় ভিজে জবজব করছে। একজায়গায় থামলো তারা, বেশ নির্জন, একটা বাড়ির ভিতরে ঢুকে এল। একটু পুরোনো বাড়ি কিন্তু বসবাসের যোগ্য। মাথাটা মুছে নাও, বেশ ভিজেছ, ঠান্ডা ব'সে গেলে জ্বর আসতে পারে....মাধবীলতা হাতের মুঠো ছেড়ে দিয়ে একটা গামছা এগিয়ে দিল। .অসীম গামছাটা নিয়ে সামনে খোলা জানালার বাইরের পুকুরটার দিকে তাকিয়ে রইল একদৃষ্টে। মাধবীলতার শাড়ির আঁচলের একটা অংশ একটু দেখা যাচ্ছে। ওদিকটায় বোধহয় কাঁটাঝোপ ছিল. কালকের মধ্যে দুটো লাশ ই ভেসে উঠবে আশা করা যায় ।