আন্তন চেখভ শিল্পকর্ম এক বিষণ্ণ শীতের সকাল। বাইস্ত্রিয়াঙ্কা নদীর মসৃণ ও চকচকে বরফ-ঢাকা জলের উপর, যেখানে তুষারের ছিটেফোঁটা কেবল মাত্র পড়ে আছে, সেখানে দাঁড়িয়ে আছে দুজন লোক: ছোটখাটো ও মোটাসোটা সেরিয়োজা এবং গির্জার প্রহরী মাতভেই। খাটো পায়ের, প্রায় ত্রিশ বছর বয়সী, অপরিচ্ছন্ন ও নোংরা চেহারার সেরিয়োজা বরফের দিকে রাগী চোখে তাকিয়ে আছে। তার পুরোনো ভেড়ার চামড়ার জ্যাকেট থেকে খোসপাঁচড়া-হওয়া কুকুরের লোমের মতোই লোমের গোছা বেরিয়ে আছে। তার হাতে রয়েছে দুটি লম্বা সূচালো লাঠি দিয়ে তৈরি একটি বিভাজক। মাতভেই, নতুন ভেড়ার চামড়ার কোট ও ফেল্টের বুট পরা এক সুদর্শন বৃদ্ধ, তার শান্ত নীল চোখ দিয়ে নদীর উঁচু ঢালু তীরে সুন্দরভাবে গড়ে ওঠা গ্রামটির দিকে তাকিয়ে আছে। তার হাতে রয়েছে একটি ভারী শাবল। "আমরা কি সারাদিন এভাবে দাঁড়িয়ে থাকব? একদম অলসের মতো ? " সেরিয়োজা নীরবতা ভেঙে মাতভেইয়ের দিকে রাগী মুখ তুলে বলল। "তুই কি এখানে ঘুরে বেড়াতে এসেছিস নাকি কোনো কাজ করতে, অলস বুড়ো ভাঁড়?" "আচ্ছা, তুমি," (উমমমম শব্দ করে চোখ পিটপিট করে) আমাকে দেখাও..." মাতভেই বিড়বিড় কর...
দ্যা বেল জার - সিলভিয়া প্লাথ - বাংলায় ভাবানুবাদ/The Bell Jar by Sylvia Plath - Translation In Bengali
বিংশ শতাব্দীর অন্যতম প্রশংসিত আমেরিকান লেখিকা সিলভিয়া প্লাথ ১৯৩২ সালের ২৭শে অক্টোবর ম্যাসাচুসেটসের বস্টনে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর লেখা বিশেষত আত্মজীবনীমূলক লেখায়, যেখানে প্রায়শই তাঁর মৃত বাবার সাথে তাঁর সম্পর্ক এর কথা উঠে এসেছে, আট বছর বয়েসে মারা যান সিলভিয়া প্লাথের বাবা। উঠে এসেছে তার সমস্যা এর কথা - বাবার সঙ্গে সমস্যা। এবং তাঁর মানসিক অসুস্থতার কথা। যার সাথে তিনি ১৯৬৩ সালের ১১ই ফেব্রুয়ারি আত্মহত্যা করার আগ পর্যন্ত সারাজীবন সংগ্রাম করেছেন। তাঁর একমাত্র উপন্যাস, ‘দ্য বেল জার’ (১৯৬৩), যা তাঁর মৃত্যুর কয়েক সপ্তাহ আগে প্রকাশিত হয়েছিল, সেটি তাঁর স্নাতককালীন সময়ে ঘটা প্রথম বিষণ্ণতার পর্ব থেকে আরোগ্য লাভের একটি আধা-কাল্পনিক বিবরণ। তাঁর সবচেয়ে সুপরিচিত কাজগুলো হলো তাঁর কাব্যগ্রন্থ ‘দ্য কলোসাস অ্যান্ড আদার পোয়েমস’ (১৯৬০), ‘এরিয়েল’ (১৯৬৫) এবং মরণোত্তর প্রকাশিত ‘দ্য কালেকটেড পোয়েমস’ (১৯৮১), যার জন্য তিনি ১৯৮২ সালে কবিতায় পুলিৎজার পুরস্কার লাভ করেন। মুখ বন্ধ কাঁচের জারের ভেতরে থাকা একটা মানুষের কাছে, যে এক মৃত শিশুর মতো নির্বাক ও নিশ্চল, এই পুরো পৃথিবীটাই একটা দুঃস্বপ্ন। ‘দ...