সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

world literature লেবেল থাকা পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

রুমি ও তাঁর কবিতা / Rumi and his Poetry

প্রেম নয়, বরং বলা ভালো অপ্রেম আর প্রেমের মধ্যে প্রেমকে বেছে নেওয়ার শিল্প, প্রেমকে বেছে নেওয়ার আর্ট : রুমির অন্টিডোট,  মানুষের ট্র্যাজেডির প্রতি। জালালউদ্দিন মহম্মদ রুমি: Image Courtesy: wikimedia common “you’ll long for me when i’m gone… you’ll kiss the headstone of my grave… kiss my face instead! "আমি চলে গেলে তুমি আমার জন্য আকুল হবে... তুমি আমার কবরের শিরে চুম্বন করবে... পরিবর্তে আমার মুখ চুম্বন কর! “what exists, exists so that it can be lost and become precious,” - যা আছে, যা বিদ্যমান, তা আছেই  যাতে তা হারিয়ে যায় আর মূল্যবান হয়ে ওঠে - লিসেল মুলার (lisel mueller) তার ছোট, অত্যাশ্চর্য কবিতায় লিখেছেন আমাদের নশ্বর জীবনের অর্থ কী। বর্ণনা করেছেন এভাবেই। মূল্যবান হয়ে ওঠা—এটাই প্রেমের সার, প্রেমের এক ও একমাত্র লক্ষ্য, ভালোবাসার সত্য, ভালোবাসার সবথেকে বড় পুরস্কার।  মৃত্যুর প্রতিদান।  একটা মিরাকেল, একটা ম্যাজিক - এই প্রেম, এই ভালোবাসা - মানুষের জীবনের এক অলৌকিক ঘটনা - একটা ট্রান্সইয়েন্স, এই ক্ষণস্থায়ী জীবনকে কেবল সহনীয়ই নয় বরং সুন্দর করে তোলে। হৃদয় খুঁড়ে বেদনা জাগায়-  যখন

সিলভিয়া প্লাথ :এক অন্ধকার নিয়ে বেঁচে থাকার নাম / Sylvia Plath on Living with the Darkness

x এক গভীরতর অন্ধকার নিয়ে বেঁচে থাকা আর হালকা আলোর সুড়ঙ্গে শিল্পের আবছায়া দেখতে থাকা, যদি মাথার মধ্যে সেই বারবার করে উত্তেজিত করে চলা অংশগুলিকে বন্ধ করতে পারি এবং চলে যেতে পারি সেই সময়কালকে পেরিয়ে, সাহসের সঙ্গে পেরিয়ে যেতে পারি সেই সময়কে, তখন মুখোমুখি হতে হবে এক গভীর দর্শনের। সিলভিয়া প্লাথ : Image Courtesy : Wikimedia Common  বাইশ বছর বয়সী সিলভিয়া প্লাথ (২৭ অক্টোবর, ১৯৩২ - ফেব্রুয়ারী ১১, ১৯৬৩) তার মাকে  লিখছেন, এক শীতের ওমে মোড়া জানুয়ারি মাস, লিখছেন সিলভিয়া, তারা উভয়েই এক অন্ধকারের মধ্যে বিরাজ করছেন, আত্মার শুদ্ধতার এক অপরিসীম অন্ধকার। অন্ধকার আরও তীক্ষ্ণতর হচ্ছে। প্রবেশ করছেন তারা সেই অন্ধকারে। তার মধ্যে দিয়ে বয়ে চলেছেন তারা দুজনেই। যেন পৃথিবীর জন্ম হয়নি তখনও, যেন তার আগের এক সূক্ষ্ম আলোর সন্ধান করছেন তারা। যেন সূক্ষ্ম আলোর রেখার থেকে যাবার কথা ছিল। বিজ্ঞান কেবলমাত্র সেই মাধ্যম,  যার টুল বা সরঞ্জামগুলির একে অপরের সাথে একত্রিত হতে  শুরু করেছিল আমাদের ইতিহাসের প্রেক্ষাপট তৈরী করবার জন্য।  যার সাহায্যে আমরা কী, আমরা কে, বা আমরা কিভাবে এসেছি পৃথিবীতে, কি ই বা আমরা আর ক

সাহিত্যিক এমিলি ডিকিনসনের চিঠিপত্র : একান্ত ভালোবাসা - সুসান গিলবার্ট-প্রথম পর্ব / Emily Dickinson’s Love Letters to Susan Gilbert

  এমিলির প্রেম, তাঁর কবিতার মতোই পবিত্র  সুন্দর। তাঁর একমাত্র প্রেম, তার কবিতার মতোই বহমান।  " আমাদের হৃদয়ের মধ্যে যে  গির্জা আছে, আজ সকালে আমার সঙ্গে সেখানে এস, যেখানে ঘণ্টা সবসময় বাজতে থাকে, এবং সেখানে একজনই প্রচারক থাকেন - যার নাম প্রেম - তিনি আমাদের জন্য সুপারিশ করবেন!" এমিলি তার ভালোবাসাকে খুঁজে পেয়েছেন , তাই তো তার জন্য তৈরী হয়েছে হাজার হাজার কবিতা।  এমিলি ডিকিনসন  ( ডিসেম্বর ১০,   ১৮৩০ -  মে ১৫ ১৮৮৬ )  দেখা পেয়েছেন তার পরম আকাঙ্খিত প্রাণের মানুষের। কুড়ি বছরে পা দিতে আর মাত্র চার মাস  বাকি। এই কি তবে জন্মদিনের শ্রেষ্ঠ উপহার ? জীবনের  থেকে শ্রেষ্ঠ উপহার ?    তার কুড়ি বছরের  জন্মদিনের চার মাস আগে, এমিলি  সেই ব্যক্তির সাক্ষাৎ পাবেন, যিনি হয়ে উঠবেন তাঁর  প্রথম প্রেম, তাঁর  মতে তাঁর জীবনের সর্বকালের সেরা নারী - সুসান গিলবার্ট- এক  অনাথ  প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত গণিতবিদ, পুরো নয় দিনের  ছোট, কবির পুরো জীবন জুড়ে -পুরো হৃদয় জুড়ে আবাস; সুসান তাঁর জীবনীশক্তির আভাস, তাঁর পরামর্শদাতা, তাঁর লেখার  প্রাথমিক পাঠক এবং সম্পাদক, তাঁর জীবনকালের প্রবল সংযুক্তি, তাঁর মতে -বিশ্বের একমাত্র নারী।