Skip to main content

Contact Us


My contact : satarupabiswas.writer@gmail.com

Comments

Popular posts from this blog

একটি প্রেমের গল্প : অমৃতা প্রীতম এবং সাহির লুধিয়ানভি / The love story of Amrita Pritam and Sahir Ludhianvi

প্রেমের গল্প। প্রেম ভাঙার গল্প। পাত্র-পাত্রী সাহির লুধিয়ানভি এবং অমৃতা প্রীতম। দিকপাল দুই সাহিত্যিক। কেমন ছিল সেই সম্পর্ক ? ''আমি তো জানতাম সাহির, তোমার কোনোদিনই আমার প্রতি প্রতিশ্রুতি রক্ষার কোনো দায় ছিল না । কি যেন বলে আজকাল ! ও হ্যাঁ , কমিটমেন্ট ফোবিয়া।  ভালোবাসার প্রতিশ্রুতি রাখতে পারবে কি না সেই দ্বিধাতেই তো রয়ে গেলে। কেন  যেন মনে হয় আমার প্রতি তোমার ভালোবাসা  সেই গভীরতর  অতলান্ত  স্পর্শ করে নি কোনোদিন। ছুঁয়ে দেখেনি সেই ভালোবাসার তীব্র টানকে। আচ্ছা সত্যি করে বলো তো, তুমি কি সত্যি আমাকে ভালোবেসেছ  ? যতটা আমি তোমাকে বেসেছি।  "ম্যায়নে টুট  কে প্যায়ার কিয়া তুম সে / ক্যায়া  তুমনে ভী উতনা কিয়া মুঝ সে?'' অমৃতা প্রীতম এবং সাহির লুধিয়ানভি : Image Courtesy : Indian Express  ' ''মোহাব্বত কি পরখ  কা  ইয়েহি  তো রাস্তা  হ্যায় / তেরি  তালাশ মে নিকলু, তুঝে  না  পায়ু  ম্যায় '' । অমৃতা ভালোবাসা খুঁজেছেন, সেই আকুল করা ভালোবাসা,  হৃদয় তন্ত্রীতে সেই তীব্র...

ইয়েতি : মিথ নাকি সত্যি? / Yeti: Myth Or Reality?

  ইয়েতি : মিথ  নাকি সত্যি ? / Yeti: Myth Or Reality? ইয়েতি কি সত্যিই আছে ? দিস্তা দিস্তা তথ্য প্রমাণ নাকি আছে এর স্বপক্ষে? কিন্তু তার সত্যতা প্রমাণিত হয়েছে কি? প্রচুর অভিযাত্রী নাকি স্বচক্ষে দেখেছেন এই ইয়েতি দের? কিন্তু তারা নাকি মানুষ দেখলে দুম করে নিজেদের লুকিয়ে ফেলে! সত্যি নাকি ইলিউশন এই রহস্যের ঘেরাটোপে খুঁজছি ইয়েতির অস্তিত্ব। মাউন্ট এভারেস্টের ইয়েতির পায়ের ছাপ, যার ছবি তুলেছিলেন এরিক শিপটন, ১৯৫১ সালে। ইয়েতি কিংবা অতিকায় তুষারমানুষ, যে নামেই ডাকা হোক না কেন, যাই হিসাবে আমরা জানি না কেন, এই বানরের মতো প্রাণীরা তুষারে বাসকারী ক্রিপ্টিডদের ( cryptids) মধ্যে অনস্বীকার্যভাবেই রাজা স্বরূপ। উত্তর আমেরিকান বিগফুটের (bigfoot) মতো, ইয়েতিকে বলা হয় এক নির্জন প্রাণী, যে শুধুমাত্র হিমালয়ের তুষারময় পর্বতমালায় ঘুরে বেড়ায়। সাধারণত শেরপাদের মধ্যে ইয়েতিরা তিব্বতীয় এক লোককাহিনীর অংশ হলেও, এই অঞ্চলের পর্বতারোহীরা বিগত দুই শতাব্দী জুড়ে নাকি ‘sightings’ - 'দর্শন' করেছেন তাদের, আর যা কিনা একখানি রেকর্ডও গড়েছে, এবং একইসঙ্গে জন্ম দিয়েছে এক বিতর্কের- এই প্রাণীটি কিংবা এ...

কাকে বলে স্ট্রিম অফ কনসাসনেস বা মগ্নচৈতন্য / What is Stream of Consciousness?

কাকে বলে স্ট্রিম অফ কনসাসনেস ? সাহিত্য ধারায় এটি এক রীতি, বলতে গেলে লেখনীর এক ধরণ। সাহিত্যের আলোচনায়  কিংবা সমালোচনায় 'স্ট্রিম অফ কনসাসনেস'- ‘Stream of Consciousness’  বা মগ্নচৈতন্য শুধুমাত্র এক শব্দ নয়, এ এক অনন্য, এক স্বতন্ত্র জঁর  ।  মগ্নচৈতন্যের   স্রোত সাহিত্যসৃষ্টির এক অত্যন্ত গুরুত্ত্বপূর্ন ধারা,  যা কিনা  বিংশ শতাব্দীর কিছু বিখ্যাত লেখক   নিযুক্ত এক স্বতন্ত্র লেখন রীতি। নিজেদের লেখনীতে কিছু ঘটনা পরম্পরাকে  বর্ণনা করতে ব্যবহার করেছিলেন তারা ।  কিন্তু '  মগ্নচৈতন্য '  কী?  কেনই বা  এটি একটি 'ধারা' বা ' জঁর' ?  কিছু  পরিচিতি দিলাম বটে শুরুতে কয়েকটি শব্দকে আশ্রয় করে, তবে  বিস্তারিত আলোচনা  এগোবে আস্তে আস্তে।  এই আপাত সাধারণ এবং একইসঙ্গে ব্যাপকভাবে ভুল বোঝাবুঝির আশঙ্কা যুক্ত , সাহিত্যিক টার্মটির ধারণা  পরিষ্কার করতে সহায়তা করতে পারে হয়ত এই  আলোচনা ।   Image Courtesy: Steve Jhonson:pixels.com/free image প্রকৃতপক্ষে...