সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

Contact Us


My contact : satarupabiswas.writer@gmail.com

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

কাকে বলে স্ট্রিম অফ কনসাসনেস বা মগ্নচৈতন্য / What is Stream of Consciousness?

কাকে বলে স্ট্রিম অফ কনসাসনেস ? সাহিত্য ধারায় এটি এক রীতি, বলতে গেলে লেখনীর এক ধরণ। সাহিত্যের আলোচনায়  কিংবা সমালোচনায় 'স্ট্রিম অফ কনসাসনেস'- ‘Stream of Consciousness’  বা মগ্নচৈতন্য শুধুমাত্র এক শব্দ নয়, এ এক অনন্য, এক স্বতন্ত্র জঁর  ।  মগ্নচৈতন্যের   স্রোত সাহিত্যসৃষ্টির এক অত্যন্ত গুরুত্ত্বপূর্ন ধারা,  যা কিনা  বিংশ শতাব্দীর কিছু বিখ্যাত লেখক   নিযুক্ত এক স্বতন্ত্র লেখন রীতি। নিজেদের লেখনীতে কিছু ঘটনা পরম্পরাকে  বর্ণনা করতে ব্যবহার করেছিলেন তারা ।  কিন্তু '  মগ্নচৈতন্য '  কী?  কেনই বা  এটি একটি 'ধারা' বা ' জঁর' ?  কিছু  পরিচিতি দিলাম বটে শুরুতে কয়েকটি শব্দকে আশ্রয় করে, তবে  বিস্তারিত আলোচনা  এগোবে আস্তে আস্তে।  এই আপাত সাধারণ এবং একইসঙ্গে ব্যাপকভাবে ভুল বোঝাবুঝির আশঙ্কা যুক্ত , সাহিত্যিক টার্মটির ধারণা  পরিষ্কার করতে সহায়তা করতে পারে হয়ত এই  আলোচনা ।   Image Courtesy: Steve Jhonson:pixels.com/free image প্রকৃতপক্ষে...

আন্তন চেখভের ছোট গল্পের বাংলা ভাবানুবাদ / Bengali Translation Of Short Story Of Anton Chekhov

আন্তন চেখভ  শিল্পকর্ম এক বিষণ্ণ শীতের সকাল। বাইস্ত্রিয়াঙ্কা নদীর মসৃণ ও চকচকে বরফ-ঢাকা জলের উপর, যেখানে তুষারের ছিটেফোঁটা কেবল মাত্র পড়ে আছে, সেখানে দাঁড়িয়ে আছে দুজন লোক: ছোটখাটো ও মোটাসোটা সেরিয়োজা এবং গির্জার প্রহরী মাতভেই। খাটো পায়ের, প্রায় ত্রিশ বছর বয়সী, অপরিচ্ছন্ন ও নোংরা চেহারার সেরিয়োজা বরফের দিকে রাগী চোখে তাকিয়ে আছে। তার পুরোনো ভেড়ার চামড়ার জ্যাকেট থেকে খোসপাঁচড়া-হওয়া কুকুরের লোমের মতোই লোমের গোছা বেরিয়ে আছে। তার হাতে রয়েছে দুটি লম্বা সূচালো লাঠি দিয়ে তৈরি একটি বিভাজক। মাতভেই, নতুন ভেড়ার চামড়ার কোট ও ফেল্টের বুট পরা এক সুদর্শন বৃদ্ধ, তার শান্ত নীল চোখ দিয়ে নদীর উঁচু ঢালু তীরে সুন্দরভাবে গড়ে ওঠা গ্রামটির দিকে তাকিয়ে আছে। তার হাতে রয়েছে একটি ভারী শাবল। "আমরা কি সারাদিন এভাবে দাঁড়িয়ে থাকব? একদম অলসের মতো ? " সেরিয়োজা নীরবতা ভেঙে মাতভেইয়ের দিকে রাগী মুখ তুলে বলল। "তুই কি এখানে ঘুরে বেড়াতে এসেছিস নাকি কোনো কাজ করতে, অলস বুড়ো ভাঁড়?" "আচ্ছা, তুমি," (উমমমম শব্দ করে চোখ পিটপিট করে) আমাকে দেখাও..." মাতভেই বিড়বিড় কর...

বাংলা অণুগল্প- অনুগল্প সিরিজ /Bengali Story

অসীম আর মাধবীলতা অসীম.....এই যে এই দিকে, মাধবীলতা আবার ডাক দিলো,....... হ্যাঁ একদম ঠিক যাচ্ছ,......আমার হাতটা লক্ষ্য করে আস্তে আস্তে এগিয়ে এস, না না ওদিকে নয়.......ওদিকে কাঁটার ঝোপ......গায়ে ফুটে গেলে কেলেঙ্কারির একশেষ.....মাধবীলতা আর ভরসা রাখতে পারলো না, নিজেই এগিয়ে গিয়ে অসীমের হাত নিজের হাতের মধ্যে নিয়ে হাঁটতে লাগলো। অসীমের জামাকাপড় ভিজে জবজব করছে। একজায়গায় থামলো তারা, বেশ নির্জন, একটা বাড়ির ভিতরে ঢুকে এল। একটু পুরোনো বাড়ি কিন্তু বসবাসের যোগ্য। মাথাটা মুছে নাও, বেশ ভিজেছ, ঠান্ডা ব'সে গেলে জ্বর আসতে পারে....মাধবীলতা হাতের মুঠো ছেড়ে দিয়ে একটা গামছা এগিয়ে দিল। .অসীম গামছাটা নিয়ে সামনে খোলা জানালার বাইরের পুকুরটার দিকে তাকিয়ে রইল একদৃষ্টে। মাধবীলতার শাড়ির আঁচলের একটা অংশ একটু দেখা যাচ্ছে। ওদিকটায় বোধহয় কাঁটাঝোপ ছিল. কালকের মধ্যে দুটো লাশ ই ভেসে উঠবে আশা করা যায় । -------------------------------------------- ছ'য়ে ছটাক : অনুগল্প ১. জানালাটার গ্রিলের মধ্যে দিয়ে নিজের চার হাত পা বের করে দিল সে, এবার শেকল দিয়ে বাঁধার কাজ শুরু হবে। ২.আমার পেনের কালিটা ধীরে ধীরে শেষ...