সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

সেপ্টেম্বর, ২০১৯ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

কবিতার কারিকুরি / কবিতা সিরিজ -পর্ব - ৩/ Bengali Poetry

ভালোবাসার খেলা সুরঙ্গমা, তোমার আশায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা ভালোবাসা আমি এক জায়গায় করে নিয়েছি; জমা দিয়ে দিয়েছি নিজের মনের কাছে। একটার পর একটা আবর্তন যে যত বেশি ঘুরেছে, আজন্মের ভালোবাসা আগামী বছরের অপেক্ষায় আছে, আকাশের ভালোবাসার আরো অনেক রঙের পরত আছে; আবির ছড়াচ্ছে, ছড়িয়ে যাচ্ছে রঙের খেলা, ছড়িয়ে যাচ্ছে ভালোবাসার মেলা। আলো আঁধারের মাঝখানে তোমার মুক্তির মাঝে, আমারই আসা যাওয়া; তোমার অলিখিত কবিতার পংক্তির মাঝখান দিয়ে যে নদী ভেসে চলে গেছে, তার পরিবর্গতা ছিন্নসূতা দিয়ে যে মাপ তা অবাধ্যতার নামান্তর: ছোটো ছোটো সময়ের প্রতীক্ষায় থাকি, ছোটো ছোটো গল্পের তরী তার বাঁকগুলো ধরে, তোমার আমার পাশে, আগের মূহুর্ত পর্যন্ত ঘোষণা করে।  মালাঙবুরু অপূর্ব এক ভাষায় নিজের লেখার প্রকাশ- ধ্বনি করতে থাকে; দোতালা আর হাততালি দিতে থাকে ছোট-বড় সবাই। নিরঞ্জনের ঘুম ভাঙে বেশ সকাল সকালই, সামনের খোলা জানালাটা দিয়ে তাকিয়ে থাকে অনেকক্ষণ। মায়ামু শরীরে তখন নতুন জোয়ার লেগেছে, জল ঝরছে আর তার সঙ্গে বেড়ে উঠছে সর্পিল লতার চাদর। নিরঞ্জন আকাশ দেখে, পাখি দেখে। ইটা আমাদের বিশ্বাসের কথা বটেক- আমাদে

প্রমোশন / অনুবাদ গল্প সিরিজ - গল্প - ১/ Adopted from R.K Narayan's Story Forty Five A Month

R.K Narayan এর গল্প Forty Five A Month এর ছায়া অবলম্বনে   প্রমোশন অস্মিতার ক্লাসে আর মন টিকছে না, স্কুল এ যেটা ওর সবথেকে পছন্দের - সেই ছবি আঁকা- সেটা অব্দি করতে ওর আজ মন চাইছে না। কারণ আজ যে বাবা ওকে প্রমিস করেছে মুভি দেখাতে  নিয়ে যাবে। কি মজা, বাবার সঙ্গে মুভি দেখতে যাবো- সব বন্ধুদের বলা হয়ে গেছে যে আজ ওরা ঘুরতে যাচ্ছে । ঘোরা বলে ঘোরা, আজ বাবা প্রমিস করেছে মুভি দেখাবে, আর আঁকার বই কিনে দেবে, নতুন রং পেন্সিল কিনে দেবে, আর ওর প্রিয় খাবার-যেটা ও খেতে খুউবব ভালোবাসে -পিজ্জা, সেটাও খাওয়াবে। কিন্তু কখন যে ছুটি হবে আর দৌড়ে বাড়ি যাবে আর রেডি হবে; সকাল থেকেই যেন আর তর সইছে না অস্মিতার। অবশ্য বললেও দৌড়ে যাওয়া যায় না স্কুল থেকে বাড়ি- অস্মিতার বাড়িটা বেশ দূরে, মা ওকে নিয়ে যায় । ছুটি হতেই মায়ের হাত ধরে বেরিয়ে পরে অস্মিতা। রাস্তায় হাঁটতে হাঁটতে আর রিক্সায় যেতে যেতে অজস্র কথার তুবড়ি ছোটায়। আজ কখন বেরোনো হবে, কোন মল এ যাওয়া হবে,কোন জামাটাই বা পরবে আজ ও- এগুলো নিয়েই চলতে থাকে বিস্তর জল্পনা। বাবার ফিরতে ৬টা বাজবে, বেরোনো হবে তার পরেই- অস্মিতার মা দিতি মেয়েকে নিরস্ত করে এই বলে। কাল শনিবার

কবিতার কারিকুরি : কবিতা সিরিজ - পর্ব -২ / Bengali Poetry

বিষাদ-গাথা  তোমার-আমার মধ্যেকার যে দূরত্ব, তাতে আলো করে আছে এক বিন্দু দুঃখের পরিমান সুখ, এখন তোমার অপরিচিত সুখের পাশে আর কারো যেন চেনা ভালোলাগার একটা ছায়া দেখা যাচ্ছে। পৃথিবীর আলো  যখন আস্তে আস্তে আবছা হয়ে যায়, তোমার আকাশ বিন্দু থেকে অনেক ভালোবাসার মতো আদরের টুকরো আমার কাছে ফিরতি পথ নেয়। তোমার অপেক্ষায় আমার্ অপেক্ষায় কেউ বসে নেই, তোমার অপেক্ষায় কেউ বসে নেই, যে আমার জীবনে রয়ে যায়, সে যে আমার জীবন নিয়ে যায়, যে তোমার জীবন নিয়ে যায়, সে যে তোমার জীবনে রয়ে যায়, তোমার অপেক্ষায় কেউ বসে নেই, আমার্ অপেক্ষায় কেউ বসে নেই, আমাদের জীবন থেকে যে একবার যায়, সে যে আমাদের জীবন নিয়ে যায়; পরিপার্শ্ব একই থাকে, তবে সব বদলে যায়, সব, জীবন এক থাকে, শুধু জিয়নতি তা একটু একটু করে বদলে যেতে থাকে; যে তোমার জীবন থেকে একবার চলে যায়, তাকে আমি এখনও যে ভালোবাসা থেকে সরাতে পারিনি। যে আমার জীবন থেকে একবার চলে যায়, তাকে তুমি এখনও যে ভালোবাসা থেকে সরাতে পারনি.। কাগজ লেখার  খাতাটা ছিঁড়ে ফেলতে গিয়ে পেনের একটা দাগের পার্থক্য ধরা পড়েছিল, খাতার কিছু পাতা ছিঁ

কবিতার কারিকুরি : কবিতা সিরিজ - পর্ব- ১ / Bengali Poetry

অশ্লেষা  কয়েকশো শব্দের মধ্যে কয়েকজন কয়েকডজন কথা থাকে। কি থাকে কথার মধ্যে, থাকে যে প্রেমের কথা,জীবনের কথা,শব্দের কথা,শব্দগুলো জুড়ে জুড়ে কথার জন্ম।  একটা অক্ষরের শেষের শব্দের ছিঁটেফোঁটার সঙ্গে এল মুক্ত হয়, ছিঁটেফোঁটা যার ছিঁটে আর ফোঁটা থাকে না, আলোর ক্ষেতে চলে যায়।   আলো ফুলে ফুলে ওঠে, জল দুলে দুলে ওঠে, কান্নার রোল ভুলে ভুলে ওঠে, ঠোঁটের আদরের কোলের সময় আশ্লেষে যেন ছুঁয়ে ছুঁয়ে তখনকার ভালোলাগার মুহূর্তগুলোকে। অশ্লেষা নক্ষত্রের জন্ম হয়, যৌনতার গভীর থেকে ভালোবাসার জন্ম হয়,  নক্ষত্রের গভীর থেকে আদরের ছড়িয়ে পড়া নীতিকথার জন্ম হয়,  একটা অক্ষর আর শব্দের মিশেলে যৌন- পবিত্রতার জন্ম হয়, শব্দ আর কথার মিশেলে অশ্লেষা নক্ষেত্রের জন্ম হয়। রানীবালা গোছানো জোনাকিতে আলো - আঁধারের ফাঁকে ফাঁকে হালকা হাতের স্পর্শের মতো রানীবালার হৃদয়ে ছুঁয়ে যায় টুকরো দাঁতের দংশন। প্রথম নষ্ট গর্ভের মতো করে, প্রথম হারানো সন্তানের আদর।  রানীবালা, দেবদারু গাছের খাঁজের মধ্যে তোমার যে সত্ত্বা আছে, তাকে টুকরো টুকরো করে আস্ত একটা মাজানে ভাসিয়ে দাও।  মুহুর্ত যখন তোমার হাতের উপর হাত রাখ