সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

অক্টোবর, ২০১৯ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

হেলেন জুয়েট হত্যাকাণ্ড/হত্যাকান্ড সিরিজ - পর্ব -২/ Helen Jewett Murder Case

 ১৮৩৬ সালের ১০ এপ্রিল। অনেকক্ষন থেকেই ঠকঠক করছে  রোজিনা- রোজিনা টনসেন্ড, এই কিন্তু দরজা খোলার নাম নেই, হ'লটা  কি? মনের মধ্যে হাজার এক খানা প্রশ্ন,  একবার একটু জোরে ধাক্কা দিল রোজিনা, আরে দরজাতো খোলাই আছে! কিন্তু এই রাত  তিনটের সময় দরজা এভাবে খোলাই বা রাখা আছে কেন? আস্তে আস্তে রোজিনা ঘরে ঢুকে এলো, উফঃ এত ধোঁয়া কোথা  থেকে এলো? ঘরটা পুরো ধোঁয়ায় ভরে গেছে, চোখ মুখ জ্বলছে তার, আস্তে আস্তে চোখ রগড়ে সামনে তাকাতে চেষ্টা করলো রোজিনা। কিন্তু জুয়েট গেলো কোথায়? এত রাতে বাইরে বেরোলো নাকি? আরো একটু সামনে এগিয়ে গেলো রোজিনা, কেউ একজন পরে আছে-  একি , একি  দেখছে সে! জুয়েট পরে আছে কেন  এভাবে?  রোজিনা আঁতকে উঠল। সত্যই জুয়েট পরে আছে, মাথার কাছে চাপ চাপ রক্ত জমাট বেঁধে আছে। জুয়েট কি নেই? উনিশ শতকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ঘটে যাওয়া  এক হত্যাকাণ্ড -হেলেন জুয়েট হত্যাকান্ড। ১৮৩৬ সালে নিউ ইয়র্ক শহরে হেলেন জুয়েট নামের একজন নারী যৌনকর্মী নৃশংসভাবে খুন হয় ।  জুয়েটের মৃতদেহ তার ঘরেই তার বিছানায় পাওয়া গিয়েছিল। মাথায় ছিল ধারালো অস্ত্রের জখম এবং তিনটি জখমই ছিল বেশ গভীর।  কোনো ধ্স্তাধস্তির চিহ্ন ছিল না। খুন কর

কবিতার কারিকুরি / কবিতা সিরিজ - পর্ব- ৪ / Bengali Poetry

মৃত্যুধারা আমার হিমেল চলন যেখান থেকে শুরু হয়েছে আর অবয়ব মাখানো ঘন কালো রেখায় আঁকা তার অবারিত অভিসারিত স্রোত। মাননীয় সে তখন; হিমস্রোত তার জীবন্ত ও তীব্র অনুরাগ মাখানো সমান্তরাল শায়িত বাতিল নিরুপায় মাপে ছাপা অস্তিত্বের পরত। বাসন্তী এক দিন, স্তব্ধ এবং বিষাদের পর সোনা - জোনাকিরা জ্বলে ওঠে। এখন নিষাদ; কচুরিপানারও সংসার হয়; জন্ম নিগড়ে লেগে থাকে উর্বর মাকু শব্দ। অসহায় ক্লোরোফিল হয়ে। স্তব্ধ কুয়াশায় হিমায়িত কোষের মাঝে, পাতায় বুনোট ফেলা পলাশের রং; ছড়িয়ে পরা বিষ বিন্দু আর অলিগলি- শীর্ষে লেগে থাকা শাশ্বত ধূসরতা। আর বিজয়িনীর সম্পূর্ণতার অংশ, আর থেকে যায় পুরুষচিত প্রয়োজন আর আবাহন। অজেয় মোহমত্ততা। আমি-মেঘ আমার আর আমার মেঘের মধ্যে ঠিক কত যোজন দূরত্ত্ব আছে? সেটা পরিব্যাপ্ত না সংক্ষিপ্ত তা বোঝার মত স্থির-স্থবিরতা মেঘবালিকার নেই। কত যোজন দূরত্বের হিসাবি যদি ধরি, তাহলে মেঘ বালিকার থেকে নক্ষত্রের জলের আয়োজন তাই হয়তো অপরিণত হয়ে থাকে। সূর্য - বল্কল পরিহিত অভিষিক্ত কিংবা শালীন সন্ন্যাসীর মত তন্দ্রাস্তিমিত ভালোলাগার একটা অবয়ব দাঁড়িয়ে ছিল । মোমবাতির আলো

আমি হয়তো আবার পাগল হয়ে যাবো- ভার্জিনিয়া উলফের আত্মহত্যা-একটি ট্রাজেডি: The Tragic Tale Of Virginia Wolf's Suicide

  সব আত্মহত্যাই কি আসলে একটা পরিকল্পিত খুন, নাকি স্ব-ইচ্ছায় পালিয়ে যাওয়া? না ফুরোনো স্বপ্ন নিয়ে চলে যেতে হয় না ফেরার দেশে, কিন্তু ভার্জিনিয়া উলফা কেন আত্মহত্যা করে বসলেন? কোন আলো মাখানো জীবনের স্বপ্ন পূরণ করতে চেয়েছিলেন তিনি !     বসন্তের একটা দিন, হালকা শীত যেন লুকোচুরি খেলছে, যাই-যাই শীত আর গরমে কাবু হবার দিনগুলির মাঝে হালকা বাতাসের শিরশিরানি অনুভব করা যায়।  সকাল বেলার রোদ্দুর ছুঁয়ে যাচ্ছে চতুর্দিক। সবাই যে যার কাজে ব্যস্ত,  ছেলে বুড়ো সবাই বেরিয়েছে প্রাতঃভ্রমনে,  কেউ বা ব্যস্ত সংসারের খুঁটিনাটি দেখভালে, আবার কারো রয়েছে কাজে যাবার তারা। কিন্তু একজনের কাছে যেন এই পুরো পৃথিবীর আর কিছুই ভালো লাগছে না, সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়ে গেছে তার,  লেখা হয়ে গেছে একটা নোট। ওসে নদীর দিকে ধীর পায়ে হাঁটছেন তিনি, কোটের পকেটে ভর্তি করেছেন প্রচুর পাথর, এই পথটা বোধহয় একাই  চলতে হয়, না, কেউ নেই সঙ্গে, কেউ নয়। এই পথ দিয়ে শুধু গন্তব্যে চলেছেন তিনি, যে গন্তব্য থেকে আর ফেরা হবে না, কোনোদিনও নয়, কখনও নয়, কারো কাছেই নয়, মনস্থির করে ফেলেছেন তিনি। কেন করলেন তিনি এটা, কেন নিতে হল এমন সিদ্ধান্ত! ভার্জিনিয়া