সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

আগাথা ক্রিস্টি অন্তর্ধান রহস্য/ The Mysterious Disappearance of Agtha Christie

    হারিয়ে গেছেন আগাথা ক্রিস্টি। হ্যাঁ, সত্যি; সত্যি তিনি হঠাৎ উধাও হয়ে গেছিলেন, কিন্তু কেন?    শীতের রাত, চারিদিকে শুনশান, অন্ধকারটা যেন আরো ঘন হয়ে আসছে, তার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে ঠান্ডা।   ঘড়িতে রাত সাড়ে ৯টা বেজেছে।  দিনটা ৩ ডিসেম্বর, শুক্রবার, সাল ১৯২৬। স্থান  বার্কশায়ার।  একজন মানুষ ঘরে তখন একা, উঠে দাঁড়ালেন তিনি তার  আর্মচেয়ার ছেড়ে।  বাড়ির সিঁড়ি বেয়ে  চলে এলেন মেয়ের ঘরে ।  সাত বছরের মেয়ে  রোজালিন্ড  তখন অঘোরে ঘুমোচ্ছে।   মেয়ের মুখের  দিকে কিছুক্ষন  তাকিয়ে  কপালে ছোট্ট করে চুমু খেয়ে নিজের মনে বিড়বিড় করে  উচ্চরণ করলেন-  শুভরাত্রি,  দ্রুতপায়ে   নিচে নেমে এলেন।  তারপর বাড়ির বাইরে বেরিয়ে চড়ে বসলেন  নিজের প্রিয় গাড়ি মরিস কাউলিতে; তার গাড়ি যেন  ধীরে  ধীরে  কুয়াশার অন্ধকারে মিলিয়ে গেল।  এতক্ষন যে ঘটনার বিবরণী দেওয়া হল, সেটি একটা রোমহর্ষক ঘটনার সূত্রপাত মাত্র।আর এই ঘটনা যার সঙ্গে ঘটেছিল তিনি আর কেউ নন   বিখ্যাত রহস্য-রোমাঞ্চ ঔপন্যাসিক আগাথা ক্রিস্টি।    এর পরবর্তী ১১ দিন যেন একদম হারিয়ে গেলেন তিনি।  আগাথা ক্রিস্টি; Image Courtesy  : pintertest.  com      আগাথা ক

মেট গালা- কি এই মেট গালা/ What is Met Gala

  নিউ ইয়র্কের এই ফ্যাশন ইভেন্ট মেট গালা - যা নিয়ে আলোচনা তুঙ্গে... ফ্যাশন দুনিয়াতে ঝড় উঠেছিল ৬ই মে, ২০১৯ এ , কোন সেলিব্রেটি কি পরছেন আর সেটি কিভাবেই বা ক্যারি করছেন, কার পোশাক হয়ে উঠছে যথার্থ ''ফ্যাশান স্টেটমেন্ট'', আর কেই বা পরছেন ''আউট অফ ফ্যাশান'' জামাকাপড়।  আজ কি তাহলে ফ্যাশন শো এর গল্প নিয়ে বসলাম? আজকের গল্পের নাম ''মেট গালা'' ( Met Gala)   ইভেন্ট।  মেট গালা, যেটি আসলে কস্টিউম ইনস্টিটিউট গালা  (Costume Institute Gala) আর যেটা ''মেট বল'' (Met Ball) নামেও পরিচিত।  এবার একটু বিশদে বলি এই  ''মেট গালা'' আসলে কি? এটা আসলে একটা ''ফান্ডরাইসিং ইভেন্ট'' ( Fundraising Event) - এবার প্রশ্ন হলো কি হয় এই ইভেন্টে? উত্তর, নিউ ইয়র্কের মেট্রোপলিটন মিউজিয়াম অফ আর্টস (Metropolitan Museum  of Arts) এর  কস্টিউম ইনস্টিটিউট  (Costume Institute)  জন্য একটা আর্থিক তহবিল তৈরি করা হয়। আর এটা হয়ে থাকে প্রতি বছরই। এখানে যোগ দেবার খরচটিও চমকপ্রদ, তিরিশ হাজার মার্কিন ডলার এই বছরে প্রতিটি সিটের জন্য নেওয়া হয়েছে। 

হারিয়ে যাওয়া জীবন- হিল্টন সিস্টার্স : The Lost Life of Hilton Sister

এই গল্প হিল্টন বোনেদের, একসময়ে আমেরিকা ও ইংল্যান্ডের বিনোদন জগতে সাড়া জাগিয়েছিল তারা, কিন্তু কেমন করে যেন হারিয়ে গেলো তারা, তাদের জীবনের ওঠা- পড়ার কাহিনী... হিল্টন সিস্টার্স : image courtesy : wikimedia common       আজ যাদের গল্প শোনাবো বলে বসেছি, তারা আসলে এক রূপকথা, যা হারিয়ে যায়, আবার বারে বারে ফিরেও আসে, দেখা  আর না- দেখা জীবনকে মিশিয়ে তৈরি করে এক গল্প। আজ তাদেরই গল্প বলবো যাদের  জীবন ছিল এক রঙ্গীন  স্বপ্নের মতো, আলোয় সাজানো ছিল প্রতিটি মুহূর্ত, কিন্তু শেষের সেই ভাগে লেখা হয়েছিল অসহায় একাকিত্ব।     আপনারা হিল্টন বোনেদের নাম নিশ্চয় শুনেছেন, না না আমি প্যারিস আর নিকি হিল্টন এর কথা বলছি না । আমি বলছি ডেইজি  এবং ভায়োলেট হিল্টন এর কথা । অচেনা লাগলো, তা লাগবেই, কারণ এঁদের নাম আর এঁদের  কথা জানে খুব কম লোকই। কিন্তু একটা সময় ছিল যখন এঁদের  নাম লোক মুখে ফিরত।  এই দুই বোনের  জন্ম ৫ই ফেব্রূয়ারি ১৯০৮ সালে ইংল্যান্ড এর ব্রাইটনে ।      এই হিল্টন বোনেদের জীবনের গল্প খুব সাদামাটা গল্প ছিল না, রূপকথা - জীবনের আলোয় লেখা ছিল কষ্ট আর বঞ্চনার ইতিহাস।এই হিল্টন বোনেরা ছিল Conjoined Twins অর্থাৎ

ছবির জীবন : Story Behind the Photos

কিছু ছবি এমনও  আছে যাতে উঠে আসে প্রতিদিনকার গল্প। হাসিকান্না, ওঠাপড়ার মুহূর্তগুলো ছুঁয়ে যায় আমাদের সবাইকে। এই ছবি সিরিজে থাকলো এমনি  কিছু  গল্পের আভাস।  পৃথিবীর সাদা-কালো ছবির ইতিহাসে এই ছবিগুলি জায়গা করে নিয়েছে বটে, কিন্তু গল্পগুলো হারিয়ে গেছে। তাদের খুঁজে নিয়ে জড়ো করেছি একজায়গায়। দশটি ছবি আর সামান্য কিছু তথ্য সংগ্ৰহ  করেছি  গুগল থেকে। আর আবিষ্কার করার চেষ্টা করেছি ছবির পিছনের  ছোট্ট ছোট্ট গল্পগুলোকে। ১. ছবির সময়কাল  ১৯৫৫ খ্রিস্টাব্দ, ছোট্ট ছেলেটি হয়তো দুষ্টামি করেছিল,সেই সময় বাবা হয়তো ব্যস্ত ছিলেন  গুরুত্ত্বপূর্ন কাজে, ছেলেটি শোনেনি বাবার বকুনি। বাবা তাই নিয়ে নিয়েছে তার প্রিয় কুকুরছানাটিকে। ছেলেটি বাবার  কাছে অনুরোধ করছে তার কুকুরকে ফিরিয়ে দিতে। আর প্রতিজ্ঞা করছে  তার প্রিয় কুকুরছানাটিকে নিয়ে খেলা করলেও সে বাবাকে বিরক্ত করবে না । এমন তো আমরা নিজেদের ছোটবেলায় কত করেছি, সেই ছোট্ট ছোট্ট স্মৃতি উস্কে দিয়ে যায় এই ছবি । ২. এই ছবির কোলাজ ভিক্টরিয়ান যুগের, ছবির সময়কাল ১৮৯০ খ্রিস্টাব্দ, নিজেদের মধ্যে খুনসুটিতে মগ্ন এই দম্পতি। যদিও গম্ভীর থাকারই চেষ্টা করেছিল দুজনে, কিন্ত শে