Skip to main content

সিলভিয়া প্লাথের কবিতার অনুবাদ/ Poetry Of Sylvia Plath - Translation

কবিতার অনুবাদ 


Poetry Of Sylvia Plath - Translation/ সিলভিয়া প্লাথের কবিতার অনুবাদ







The woman is perfected.   
Her dead

Body wears the smile of accomplishment,   
The illusion of a Greek necessity

Flows in the scrolls of her toga,   
Her bare

Feet seem to be saying:
We have come so far, it is over.

Each dead child coiled, a white serpent,   
One at each little

Pitcher of milk, now empty.   
She has folded

Them back into her body as petals   
Of a rose close when the garden

Stiffens and odors bleed
From the sweet, deep throats of the night flower.

The moon has nothing to be sad about,   
Staring from her hood of bone.

She is used to this sort of thing.
Her blacks crackle and drag.



 প্রান্তে

(আক্ষরিক অর্থ)


নারীটি যেন বহুদিন ধরে ক্লান্ত ছিল—
আজ সে সম্পূর্ণ।
মৃতদেহে এক অদ্ভুত প্রশান্তি,
যেন সব হিসাব মিটে গেছে সন্ধ্যার ভেতর।
তার সাদা পোশাকের ভাঁজে
হেলেনীয় নিয়তির মতো এক শুষ্ক আলো
ধীরে ধীরে নেমে আসে।
পা দুটি স্থির—
মাটি ছুঁয়ে আছে,
কিন্তু যেন আর কোনো পথ বাকি নেই।

শিশুরা—
ক্ষুদ্র, শীতল, কুণ্ডলী পাকানো শ্বেত সাপের মতো—
শূন্য দুধের পাত্রের পাশে।
মা তাদের ফিরিয়ে নিয়েছে নিজের দেহে,
যেমন রাত বাড়লে গোলাপ
নীরবে নিজেকে বন্ধ করে ফেলে।
বাগান শক্ত হয়ে আসে;
গন্ধ রক্তের মতো ঘন হয়ে
অন্ধকারে ঝরে পড়ে।
নিশিফুলের গভীর গলায়
এক অব্যক্ত আর্তি থেমে থাকে।

চাঁদ দূরে—
অস্থির মতো ফ্যাকাশে;
সে অভ্যস্ত এমন দৃশ্যে।
তার কালো আলোর খসখস শব্দে
রাত্রি আরও গভীর হয়।





প্রান্ত

(সিলভিয়া প্লাথ এর কবিতার বিনির্মান )


নারী আজ পরিপূর্ণ,
সম্পূর্ণ তার সাধ,
নিথর দেহে লেগে ক্ষীণ এক তৃপ্তির স্বাদ,
 সমাপ্তির দীপ্তি।
গ্রিক নিয়তির নীরব ছায়া,
 ভাঁজে তার শাস্ত স্রোত বয়ে যায় , তরঙ্গ তোলে এক অপার মায়া।

উন্মুক্ত পদপ্রান্তের ধূলি নীরবে ক’য়—
“দূর পথ পেরিয়ে শেষ হলো ক্ষয়।
— এ-ই বিশ্রাম।”
এ পথ দীর্ঘ ছিল; এখন অবসানের শান্তি।
শিশুরা শুয়ে আছে কাছে—
শ্বেত সর্পসম,
প্রতিটি শিশু মৃত , নিবিড় কুণ্ডলিত, ক্ষুদ্র
দুধপাত্রের ধারে—শূন্যতার সাক্ষী।
 পাশে রয় শূন্য অন্যমন।
তবু মায়ার দোলনায়
তারা ফিরে গেছে মায়ের অন্তরলোকে।


যখন বাগানের অন্ধকার আরও জমে আসে,
শক্ত হয়ে জমাট বাঁধে আরও, আরও, কঠিন নীরবতা,
 যেমন সন্ধ্যা নামলে গোলাপ গুটায় অন্ধকার,
যেন কোলেতে টেনে নিয়েছে আবার।
যেমন আঁধার নামলে ঢেকে দেয় নিজ অবসাদ;
টেনে নেয় অন্তঃস্থলে,
বাগানের বুকে জমে ওঠা নিশিফুলের মত গভীর মধুময় কণ্ঠ থেকে গন্ধ রক্তের মতো ঝরে পড়ে অন্ধকারে।
ঝরে পড়ে অদৃশ্য গন্ধ—
অশ্রুর মতো।


চাঁদ আকাশে নির্বাক;
নির্বিকার—নির্লিপ্ত,
অস্থির আবরণে ঢাকা তার শীতল মুখ।
তার অস্থিময় হিম আবরণে
দুঃখের কোনো স্পন্দন নেই।
সে জানে—
এও অনন্তেরই একটি ক্ষণ।
তার কালো আভা শুষ্ক শব্দে ফেটে যায়,
রাত্রিকে টেনে নিয়ে যায় আরও গভীরে।


দেখে সে সব শীতল দৃষ্টিপাতে।
এ দৃশ্য তার চেনা বহুদিন—
কালো রাত্রি খসে টানে রিনরিন।




 
 











Comments

Popular posts from this blog

কাকে বলে স্ট্রিম অফ কনসাসনেস বা মগ্নচৈতন্য / What is Stream of Consciousness?

কাকে বলে স্ট্রিম অফ কনসাসনেস ? সাহিত্য ধারায় এটি এক রীতি, বলতে গেলে লেখনীর এক ধরণ। সাহিত্যের আলোচনায়  কিংবা সমালোচনায় 'স্ট্রিম অফ কনসাসনেস'- ‘Stream of Consciousness’  বা মগ্নচৈতন্য শুধুমাত্র এক শব্দ নয়, এ এক অনন্য, এক স্বতন্ত্র জঁর  ।  মগ্নচৈতন্যের   স্রোত সাহিত্যসৃষ্টির এক অত্যন্ত গুরুত্ত্বপূর্ন ধারা,  যা কিনা  বিংশ শতাব্দীর কিছু বিখ্যাত লেখক   নিযুক্ত এক স্বতন্ত্র লেখন রীতি। নিজেদের লেখনীতে কিছু ঘটনা পরম্পরাকে  বর্ণনা করতে ব্যবহার করেছিলেন তারা ।  কিন্তু '  মগ্নচৈতন্য '  কী?  কেনই বা  এটি একটি 'ধারা' বা ' জঁর' ?  কিছু  পরিচিতি দিলাম বটে শুরুতে কয়েকটি শব্দকে আশ্রয় করে, তবে  বিস্তারিত আলোচনা  এগোবে আস্তে আস্তে।  এই আপাত সাধারণ এবং একইসঙ্গে ব্যাপকভাবে ভুল বোঝাবুঝির আশঙ্কা যুক্ত , সাহিত্যিক টার্মটির ধারণা  পরিষ্কার করতে সহায়তা করতে পারে হয়ত এই  আলোচনা ।   Image Courtesy: Steve Jhonson:pixels.com/free image প্রকৃতপক্ষে...

টি.এস. এলিয়ট: লেখা, সাহিত্য, মনন / T.S. Eliot on Writing, Literature, Thoughts

টি.এস. এলিয়ট: এক উচ্চভিলাসী  তরুণ  লেখককে দেওয়া  পরামর্শের চিঠি / T.S. এলিয়ট: His Warm Letter Of Advice To A Aspiree How  To Become A Writer “If you write what you yourself sincerely think and feel and are interested in,”  একজন লেখক হওয়ার উচ্চাকাঙ্খা, ষোল বছরের এক কিশোরীর  প্রতি লিখিত পরামর্শ যা  ধরা আছে চিঠিতে !তাঁর আবেগের উষ্ণতার স্পর্শ পাই যেন! টি. এস এলিয়ট: Image Courtesy: Wikimedia Commons  সামুদ্রিক জীববিজ্ঞানী এবং লেখক র‌্যাচেল কারসন লেখক হতে আগ্রহী একজনকে, একজন দৃষ্টিহীন মেয়েকে পরামর্শ দিয়েছিলেন, “you will interest other people.”- "আপনি অন্য লোকেদের আগ্রহী করবেন।"  ১৯৫২ সালে, অ্যালিস কুইন নামে একজন ষোল বছর বয়সী   “aspiring Young Writer” - "উচ্চাকাঙ্ক্ষী তরুণ লেখক" টি.এস.  এলিয়ট ( জন্ম ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ১৮৮৮ – মৃত্যু ৪ঠা জানুয়ারী, ১৯৬৫) এর সঙ্গে দেখা করেন - সেই সময়ে বিশ্বের সবচেয়ে বিখ্যাত লেখকদের মধ্যে একজন এলিয়ট -তিনি সৃজনশীলতা , লেখার, সৃজনশীল প্রক্রিয়া, লেখক হয়ে ওঠা সম্পর্কে বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দিতে ...

ছবিতে ভিয়েতনাম যুদ্ধ / Dreadful Vietnam War

ভিয়েতনামের যুদ্ধ। কতটা ভয়ঙ্কর হতে পারে একটা যুদ্ধ। যারা কোনোদিন দেখিনি তারা এর প্রভাব ঠিক বুঝতেও পারবো না। প্রার্থনা করি যেন দেখতেও না হয়। ভিয়েতনামের যুদ্ধের কিছু ছবি নিয়ে আজ এই লেখা। সঙ্গের যুদ্ধের ছবি। আজকে দেখবো কিছু ছবি। না যা ভাবছেন একদম নয়, সুন্দর কিছু দেখতে বসিনি আজকে। যুদ্ধের ছবি দেখাবো। দুটো রাষ্ট্র লড়াই করছে , আর মাঝখান থেকে হাজার হাজার লক্ষ লক্ষ মানুষ ভগবানের ভরসায় নিজেদের জীবনের বাজি ধরে বসে আছে। অনেক গপ্প পাবেন মশাই যুদ্ধের। ওই বিষয় তো এক। পুঁজিবাদী শক্তির সারা পৃথিবীতে নিজের ক্ষমতা কায়েম করার গল্প।  আর বেশি কথায়  যাচ্ছি না।  আজকের ছবি আর লেখা ভিয়েতনাম যুদ্ধের। তাহলে ঢুকে পড়া যাক যুদ্ধের খবরে।  ভিয়েতনামের যুদ্ধ হয়  দক্ষিণ ভিয়েতনাম আর উত্তর ভিয়েতনামের মধ্যে, ১৯৫৫ থেকে ১৯৭৫ সাল পর্যন্ত। তারপরে যুক্ত হয় আমেরিকা, যথারীতি।  মূল কারণ  সাম্রাজ্যবাদের  বিস্তার। উত্তর ভিয়েতনাম  কমিউনিজম প্রতিষ্ঠায় বিশ্বাসী , কিন্তু  পুঁজিবাদী দক্ষিণ ভিয়েতনাম।  শুরু হয়  সাথে গৃহযুদ্ধ।  দক্ষিণ ভিয়েতনামকে সমর্থন করতে নেমে পর...