সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

ব্রহ্মান্ডের শেষের দিন / TIMELAPSE OF THE FUTURE: A Journey to the End of Time (4K)

২০১৯ সালে শুরু করবো এই ব্রহ্মান্ডের ভ্রমণ, আমরা চলতে থাকবো এই মহাজাগতিক সময়ের সঙ্গে সঙ্গে , আর আমাদের যাত্রাপথে ধরা পড়বে অসাধারণ সব মহাজাগতিক বিস্ময়- এই মহাজাগতিক জীবন শেষের পথে আমরা, চোখ ভোরে দেখে নেবো আমরা এই সৃষ্টির আনন্দকে। যাত্রা  শুরু  করেছিলাম বিগ ব্যাং দিয়ে- আস্তে আস্তে অগ্রসর হচ্ছি শেষের সেই মহামিলনের দিকে  প্রত্যক্ষ করবো এই পৃথিবীর ভবিষ্যৎ, প্রকট হবে সূর্যের মৃত্যু, পরিসমাপ্তি ঘটবে সমস্ত নক্ষত্ররাজির পরিসমাপ্তি, দেখবো জম্বি গ্যালাক্সি,  ক্ষয়িত হতে থাকবে প্রোটন কণিকা, সাক্ষী থাকবো বিস্ফারিত কৃষ্ণগহ্বরের, ডার্ক এনার্জি তার প্রভাব বিস্তার করতে থাকবে, উঠে আসবে অল্টারনেট ইউনিভার্স এর কাহিনী এবং মিলিয়ে যাবে এই ব্রহ্মান্ড। আধুনিক বিজ্ঞান এই ভাবেই ভবিষ্যতের মহা জাগতিক চিত্র এঁকেছে। না, এখনও ছবিটা সম্পূর্ণ হয়নি। সময়ের সাথে সাথে আরও নতুন নতুন মহাজাগতিক দৃশ্যাবলী আমাদের চোখে ধরা দেবে, বিবর্তন ঘটতেই থাকবে এই মহাজাগতিক সত্যের। আরো অনেক সূত্র আবিষ্কৃত হবে, ব্রহ্মাণ্ডে প্রতিনিধিদের আরো অনেক কর্মকান্ডের পরিচয় আমরা পেতেই থাকবো। অনেক মহাজাগতিক সত্যের উদ্ঘাটন এখনো বাকি, নতুন নতুন অনেক ধাঁধ

ব্রহ্মান্ডের জন্ম ও মানবসভ্যতা / TIMELAPSE OF THE ENTIRE UNIVERSE

মহাজাগতিক সময়কে যদি  স্কেলে মাপা হয় তাহলে আমাদের মানব সভ্যতার অস্তিত্ত্ব চোখের একটা পলক পড়ার সঙ্গে সমতুল্য। এই ব্রহ্মান্ড সৃষ্টি হয়েছে বড় ব্যাং এর ফলে; ১৩.৮  বিলিয়ন বছর আগে শুরু হওয়া ব্রহ্মান্ডের সময়কালকে একটা ১০ মিনিটের ভিডিওতে তুলে ধরার এক অদম্য প্রচেষ্টা করা হয়েছে। প্রত্যেকটা ফ্রেমে বুঝতে পারি  আমরা সত্যই কতটা তরুণ, কত নবীন এই মানব-সভ্যতা। এবং আমাদের মহাবিশ্ব কতটা প্রাচীন এবং বিশাল। যা ছড়িয়ে আছে আমাদের চারপাশকে, যা ঘিরে আছে আমাদের অভিজ্ঞতাকে।   মহাবিস্ফোরণ অর্থাৎ বিগ ব্যাং  দিয়ে শুরু করে এবং হোমো সেপিয়েন্সগুলির উপস্থিতিতে সমাপ্তি, এই সম্পূর্ণ অভিজ্ঞতাটির  বৈজ্ঞানিক ধারাবাহিকতা বোঝানো হয়েছে সহজ মাধ্যমে।   প্রতি সেকেন্ডে ২২ মিলিয়ন বছর সময়কালকে ধরা হয়েছে এই ভিডিওটিতে, বিজ্ঞানের সজতর পরিভাষায় এই মহা সময়কালকে করা হয়েছে উন্মোচিত,  উদ্ভাসিত হয়েছে এক  অলীক, কল্পনাতীত কিন্তু সত্য ও তথ্য সমৃদ্ধ অনন্ত যুগ  ধরে সময়কালের মধ্যে প্রবহমান বিরাট ব্রহ্মান্ডের ছবি.।

দ'শে দশ/অনুগল্প সিরিজ- গল্প-৩/ Bengali Story

১. তুমি কি আমাকে ভালোবাসার বিনিময়ে কিছু চাও অনুরাধা , আমার কাছাকাছি থাকার বিনিময়ে কিছু কি চাও ?  কিছু দিতে তো পারবো না , সহস্রাব্দ পিচ্ছিল জ্যোতির্বলয় ,  তার গভিরে তার জলের আলগা আগল তুলে দেবো।  ২. হাওয়া আর বাতাসের কাছাকাছি গিয়ে কান পেতে শোনো , ওরা বলবে আমি ভালো আছি,  আলোর   মধ্যে   নয় সুরমা , জলের গর্ভ   আমাদের   নিয়তির কথকতা   জানান   দিয়েছিল। ৩. তোমার লেখা শেষ চিঠিটা পুরিয়ে ফেলেছি, ও'টিতে ভালবাসার কোনো আলো ছিলো না।  ৪. সহস্রাব্দ পৃথিবী আর পাটিগণিতিয় গুণিতকে লেখা বহমান রাহুকাল আমার।  ৫. হারানো খাতায়, হারানো কলমের নিবে লুকিয়ে থাকা শুকনো ঝর্ণা। ৬. তোমার মনের কুয়াশায় আমার না বলা কথারা পথ হারায়।     ৭. চাঁদের কুয়াশা বিনিময়ের মতো আবেশ লাগানো ভালোবাসা তোমার,সুরনজনা। ৮.হাজার বিনিময়ের সুতো ; এ শহর থেকে পালানোর ছুতো। ৯. কথার পিঠে কথারা বসে গেছে;  কতকাল পরে বসন্ত এসে গেছে।  ১০. আজো ফুল হয়ে ফুুটে আছে তোমার আমার ভালবাসা। 

ছ'য়ে ছটাক/ অনুগল্প সিরিজ -গল্প-২/ Bengali Story

১.  জানালাটার গ্রিলের মধ্যে দিয়ে নিজের চার হাত পা বের করে দিল সে, এবার শেকল দিয়ে বাঁধার কাজ শুরু হবে। ২.আমার পেনের কালিটা ধীরে ধীরে শেষ হয়ে আসছে ইতি, আমাদের এবার যাবার সময় হল,তৈরী হও।  ইতি আর রনজিত হাওয়ায় মিলিয়ে যেতে শুরু ক রল। ৩.  দ্রুত হাতে মাটি কোপাতে লাগল দিব্য, আর বিড়বিড় করতে লাগল। পূরবী পরে আছে একটু দূরে। রক্তে মাখামাখি। ৪. রুদ্র  তিথির   লেখা চিঠিগুলো গ্যাসের বারনারের মধ্যে গুজে দিচ্ছিল। বেশির ভাগটাই পু্ড়ে গেছে। আর দরকার নেই। ৫. গোলাপগঞ্জ আসার পথে তোমার চোখের পর্দার উপর আমারও ছায়া পড়েছিল, তবে বিস্ফোরণ কেন হয়েছিল সুরনজনা, ভরসা হারানোর বিস্ফোরণ। ৬.অসিতকুমার  ,  তোমার   জন্যই   অপেক্ষা   করে   আছি  ,  তুমি   এলে  .. আমি   এবার   উঠব ,  মনিমালা   সামনের   বটগাছটায়   গিয়ে   বসল। 

ছ'য়ে ছটাক /অনুগল্প সিরিজ- গল্প -১ /Bengali Story

অসীম আর মাধবীলতা অসীম.....এই যে এই দিকে, মাধবীলতা আবার ডাক দিলো,....... হ্যাঁ একদম ঠিক যাচ্ছ,......আমার হাতটা লক্ষ্য করে আস্তে আস্তে এগিয়ে এস, না না ওদিকে নয়.......ওদিকে কাঁটার ঝোপ......গায়ে ফুটে গেলে কেলেঙ্কারির একশেষ.....মাধবীলতা আর ভরসা রাখতে পারলো না, নিজেই এগিয়ে গিয়ে অসীমের হাত নিজের হাতের মধ্যে নিয়ে হাঁটতে লাগলো। অসীমের জামাকাপড় ভিজে জবজব করছে। একজায়গায় থামলো তারা, বেশ নির্জন, একটা বাড়ির ভিতরে ঢুকে এল। একটু পুরোনো বাড়ি কিন্তু বসবাসের যোগ্য। মাথাটা মুছে নাও, বেশ ভিজেছ, ঠান্ডা ব'সে গেলে জ্বর আসতে পারে....মাধবীলতা হাতের মুঠো ছেড়ে দিয়ে একটা গামছা এগিয়ে দিল। .অসীম গামছাটা নিয়ে সামনে খোলা জানালার বাইরের পুকুরটার দিকে তাকিয়ে রইল একদৃষ্টে। মাধবীলতার শাড়ির আঁচলের একটা অংশ একটু দেখা যাচ্ছে। ওদিকটায় বোধহয় কাঁটাঝোপ ছিল. কালকের মধ্যে দুটো লাশ ই ভেসে উঠবে আশা করা যায় ।

হেলেন জুয়েট হত্যাকাণ্ড/হত্যাকান্ড সিরিজ - পর্ব -২/ Helen Jewett Murder Case

 ১৮৩৬ সালের ১০ এপ্রিল। অনেকক্ষন থেকেই ঠকঠক করছে  রোজিনা- রোজিনা টনসেন্ড, এই কিন্তু দরজা খোলার নাম নেই, হ'লটা  কি? মনের মধ্যে হাজার এক খানা প্রশ্ন,  একবার একটু জোরে ধাক্কা দিল রোজিনা, আরে দরজাতো খোলাই আছে! কিন্তু এই রাত  তিনটের সময় দরজা এভাবে খোলাই বা রাখা আছে কেন? আস্তে আস্তে রোজিনা ঘরে ঢুকে এলো, উফঃ এত ধোঁয়া কোথা  থেকে এলো? ঘরটা পুরো ধোঁয়ায় ভরে গেছে, চোখ মুখ জ্বলছে তার, আস্তে আস্তে চোখ রগড়ে সামনে তাকাতে চেষ্টা করলো রোজিনা। কিন্তু জুয়েট গেলো কোথায়? এত রাতে বাইরে বেরোলো নাকি? আরো একটু সামনে এগিয়ে গেলো রোজিনা, কেউ একজন পরে আছে-  একি , একি  দেখছে সে! জুয়েট পরে আছে কেন  এভাবে?  রোজিনা আঁতকে উঠল। সত্যই জুয়েট পরে আছে, মাথার কাছে চাপ চাপ রক্ত জমাট বেঁধে আছে। জুয়েট কি নেই? উনিশ শতকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ঘটে যাওয়া  এক হত্যাকাণ্ড -হেলেন জুয়েট হত্যাকান্ড। ১৮৩৬ সালে নিউ ইয়র্ক শহরে হেলেন জুয়েট নামের একজন নারী যৌনকর্মী নৃশংসভাবে খুন হয় ।  জুয়েটের মৃতদেহ তার ঘরেই তার বিছানায় পাওয়া গিয়েছিল। মাথায় ছিল ধারালো অস্ত্রের জখম এবং তিনটি জখমই ছিল বেশ গভীর।  কোনো ধ্স্তাধস্তির চিহ্ন ছিল না। খুন কর

কবিতার কারিকুরি / কবিতা সিরিজ - পর্ব- ৪ / Bengali Poetry

মৃত্যুধারা আমার হিমেল চলন যেখান থেকে শুরু হয়েছে আর অবয়ব মাখানো ঘন কালো রেখায় আঁকা তার অবারিত অভিসারিত স্রোত। মাননীয় সে তখন; হিমস্রোত তার জীবন্ত ও তীব্র অনুরাগ মাখানো সমান্তরাল শায়িত বাতিল নিরুপায় মাপে ছাপা অস্তিত্বের পরত। বাসন্তী এক দিন, স্তব্ধ এবং বিষাদের পর সোনা - জোনাকিরা জ্বলে ওঠে। এখন নিষাদ; কচুরিপানারও সংসার হয়; জন্ম নিগড়ে লেগে থাকে উর্বর মাকু শব্দ। অসহায় ক্লোরোফিল হয়ে। স্তব্ধ কুয়াশায় হিমায়িত কোষের মাঝে, পাতায় বুনোট ফেলা পলাশের রং; ছড়িয়ে পরা বিষ বিন্দু আর অলিগলি- শীর্ষে লেগে থাকা শাশ্বত ধূসরতা। আর বিজয়িনীর সম্পূর্ণতার অংশ, আর থেকে যায় পুরুষচিত প্রয়োজন আর আবাহন। অজেয় মোহমত্ততা। আমি-মেঘ আমার আর আমার মেঘের মধ্যে ঠিক কত যোজন দূরত্ত্ব আছে? সেটা পরিব্যাপ্ত না সংক্ষিপ্ত তা বোঝার মত স্থির-স্থবিরতা মেঘবালিকার নেই। কত যোজন দূরত্বের হিসাবি যদি ধরি, তাহলে মেঘ বালিকার থেকে নক্ষত্রের জলের আয়োজন তাই হয়তো অপরিণত হয়ে থাকে। সূর্য - বল্কল পরিহিত অভিষিক্ত কিংবা শালীন সন্ন্যাসীর মত তন্দ্রাস্তিমিত ভালোলাগার একটা অবয়ব দাঁড়িয়ে ছিল । মোমবাতির আলো

আমি হয়তো আবার পাগল হয়ে যাবো- ভার্জিনিয়া উলফের আত্মহত্যা-একটি ট্রাজেডি: The Tragic Tale Of Virginia Wolf's Suicide

  সব আত্মহত্যাই কি আসলে একটা পরিকল্পিত খুন, নাকি স্ব-ইচ্ছায় পালিয়ে যাওয়া? না ফুরোনো স্বপ্ন নিয়ে চলে যেতে হয় না ফেরার দেশে, কিন্তু ভার্জিনিয়া উলফা কেন আত্মহত্যা করে বসলেন? কোন আলো মাখানো জীবনের স্বপ্ন পূরণ করতে চেয়েছিলেন তিনি !     বসন্তের একটা দিন, হালকা শীত যেন লুকোচুরি খেলছে, যাই-যাই শীত আর গরমে কাবু হবার দিনগুলির মাঝে হালকা বাতাসের শিরশিরানি অনুভব করা যায়।  সকাল বেলার রোদ্দুর ছুঁয়ে যাচ্ছে চতুর্দিক। সবাই যে যার কাজে ব্যস্ত,  ছেলে বুড়ো সবাই বেরিয়েছে প্রাতঃভ্রমনে,  কেউ বা ব্যস্ত সংসারের খুঁটিনাটি দেখভালে, আবার কারো রয়েছে কাজে যাবার তারা। কিন্তু একজনের কাছে যেন এই পুরো পৃথিবীর আর কিছুই ভালো লাগছে না, সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়ে গেছে তার,  লেখা হয়ে গেছে একটা নোট। ওসে নদীর দিকে ধীর পায়ে হাঁটছেন তিনি, কোটের পকেটে ভর্তি করেছেন প্রচুর পাথর, এই পথটা বোধহয় একাই  চলতে হয়, না, কেউ নেই সঙ্গে, কেউ নয়। এই পথ দিয়ে শুধু গন্তব্যে চলেছেন তিনি, যে গন্তব্য থেকে আর ফেরা হবে না, কোনোদিনও নয়, কখনও নয়, কারো কাছেই নয়, মনস্থির করে ফেলেছেন তিনি। কেন করলেন তিনি এটা, কেন নিতে হল এমন সিদ্ধান্ত! ভার্জিনিয়া

কবিতার কারিকুরি / কবিতা সিরিজ -পর্ব - ৩/ Bengali Poetry

ভালোবাসার খেলা সুরঙ্গমা, তোমার আশায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা ভালোবাসা আমি এক জায়গায় করে নিয়েছি; জমা দিয়ে দিয়েছি নিজের মনের কাছে। একটার পর একটা আবর্তন যে যত বেশি ঘুরেছে, আজন্মের ভালোবাসা আগামী বছরের অপেক্ষায় আছে, আকাশের ভালোবাসার আরো অনেক রঙের পরত আছে; আবির ছড়াচ্ছে, ছড়িয়ে যাচ্ছে রঙের খেলা, ছড়িয়ে যাচ্ছে ভালোবাসার মেলা। আলো আঁধারের মাঝখানে তোমার মুক্তির মাঝে, আমারই আসা যাওয়া; তোমার অলিখিত কবিতার পংক্তির মাঝখান দিয়ে যে নদী ভেসে চলে গেছে, তার পরিবর্গতা ছিন্নসূতা দিয়ে যে মাপ তা অবাধ্যতার নামান্তর: ছোটো ছোটো সময়ের প্রতীক্ষায় থাকি, ছোটো ছোটো গল্পের তরী তার বাঁকগুলো ধরে, তোমার আমার পাশে, আগের মূহুর্ত পর্যন্ত ঘোষণা করে।  মালাঙবুরু অপূর্ব এক ভাষায় নিজের লেখার প্রকাশ- ধ্বনি করতে থাকে; দোতালা আর হাততালি দিতে থাকে ছোট-বড় সবাই। নিরঞ্জনের ঘুম ভাঙে বেশ সকাল সকালই, সামনের খোলা জানালাটা দিয়ে তাকিয়ে থাকে অনেকক্ষণ। মায়ামু শরীরে তখন নতুন জোয়ার লেগেছে, জল ঝরছে আর তার সঙ্গে বেড়ে উঠছে সর্পিল লতার চাদর। নিরঞ্জন আকাশ দেখে, পাখি দেখে। ইটা আমাদের বিশ্বাসের কথা বটেক- আমাদে

প্রমোশন / অনুবাদ গল্প সিরিজ - গল্প - ১/ Adopted from R.K Narayan's Story Forty Five A Month

R.K Narayan এর গল্প Forty Five A Month এর ছায়া অবলম্বনে   প্রমোশন অস্মিতার ক্লাসে আর মন টিকছে না, স্কুল এ যেটা ওর সবথেকে পছন্দের - সেই ছবি আঁকা- সেটা অব্দি করতে ওর আজ মন চাইছে না। কারণ আজ যে বাবা ওকে প্রমিস করেছে মুভি দেখাতে  নিয়ে যাবে। কি মজা, বাবার সঙ্গে মুভি দেখতে যাবো- সব বন্ধুদের বলা হয়ে গেছে যে আজ ওরা ঘুরতে যাচ্ছে । ঘোরা বলে ঘোরা, আজ বাবা প্রমিস করেছে মুভি দেখাবে, আর আঁকার বই কিনে দেবে, নতুন রং পেন্সিল কিনে দেবে, আর ওর প্রিয় খাবার-যেটা ও খেতে খুউবব ভালোবাসে -পিজ্জা, সেটাও খাওয়াবে। কিন্তু কখন যে ছুটি হবে আর দৌড়ে বাড়ি যাবে আর রেডি হবে; সকাল থেকেই যেন আর তর সইছে না অস্মিতার। অবশ্য বললেও দৌড়ে যাওয়া যায় না স্কুল থেকে বাড়ি- অস্মিতার বাড়িটা বেশ দূরে, মা ওকে নিয়ে যায় । ছুটি হতেই মায়ের হাত ধরে বেরিয়ে পরে অস্মিতা। রাস্তায় হাঁটতে হাঁটতে আর রিক্সায় যেতে যেতে অজস্র কথার তুবড়ি ছোটায়। আজ কখন বেরোনো হবে, কোন মল এ যাওয়া হবে,কোন জামাটাই বা পরবে আজ ও- এগুলো নিয়েই চলতে থাকে বিস্তর জল্পনা। বাবার ফিরতে ৬টা বাজবে, বেরোনো হবে তার পরেই- অস্মিতার মা দিতি মেয়েকে নিরস্ত করে এই বলে। কাল শনিবার