সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

হারিয়ে যাওয়া জীবন- হিল্টন সিস্টার্স : The Lost Life of Hilton Sister

এই গল্প হিল্টন বোনেদের, একসময়ে আমেরিকা ও ইংল্যান্ডের বিনোদন জগতে সাড়া জাগিয়েছিল তারা, কিন্তু কেমন করে যেন হারিয়ে গেলো তারা, তাদের জীবনের ওঠা- পড়ার কাহিনী... হিল্টন সিস্টার্স : image courtesy : wikimedia common       আজ যাদের গল্প শোনাবো বলে বসেছি, তারা আসলে এক রূপকথা, যা হারিয়ে যায়, আবার বারে বারে ফিরেও আসে, দেখা  আর না- দেখা জীবনকে মিশিয়ে তৈরি করে এক গল্প। আজ তাদেরই গল্প বলবো যাদের  জীবন ছিল এক রঙ্গীন  স্বপ্নের মতো, আলোয় সাজানো ছিল প্রতিটি মুহূর্ত, কিন্তু শেষের সেই ভাগে লেখা হয়েছিল অসহায় একাকিত্ব।     আপনারা হিল্টন বোনেদের নাম নিশ্চয় শুনেছেন, না না আমি প্যারিস আর নিকি হিল্টন এর কথা বলছি না । আমি বলছি ডেইজি  এবং ভায়োলেট হিল্টন এর কথা । অচেনা লাগলো, তা লাগবেই, কারণ এঁদের নাম আর এঁদের  কথা জানে খুব কম লোকই। কিন্তু একটা সময় ছিল যখন এঁদের  নাম লোক মুখে ফিরত।  এই দুই বোনের  জন্ম ৫ই ফেব্রূয়ারি ১৯০৮ সালে ইংল্যান্ড এর ব্রাইটনে ।      এই হিল্টন বোনেদের জীবনের গল্প খুব সাদামাটা গল্প ছিল না, রূপকথা - জীবনের আলোয় লেখা ছিল কষ্ট আর বঞ্চনার ইতিহাস।এই হিল্টন বোনেরা ছিল Conjoined Twins অর্থাৎ

ছবির জীবন : Story Behind the Photos

কিছু ছবি এমনও  আছে যাতে উঠে আসে প্রতিদিনকার গল্প। হাসিকান্না, ওঠাপড়ার মুহূর্তগুলো ছুঁয়ে যায় আমাদের সবাইকে। এই ছবি সিরিজে থাকলো এমনি  কিছু  গল্পের আভাস।  পৃথিবীর সাদা-কালো ছবির ইতিহাসে এই ছবিগুলি জায়গা করে নিয়েছে বটে, কিন্তু গল্পগুলো হারিয়ে গেছে। তাদের খুঁজে নিয়ে জড়ো করেছি একজায়গায়। দশটি ছবি আর সামান্য কিছু তথ্য সংগ্ৰহ  করেছি  গুগল থেকে। আর আবিষ্কার করার চেষ্টা করেছি ছবির পিছনের  ছোট্ট ছোট্ট গল্পগুলোকে। ১. ছবির সময়কাল  ১৯৫৫ খ্রিস্টাব্দ, ছোট্ট ছেলেটি হয়তো দুষ্টামি করেছিল,সেই সময় বাবা হয়তো ব্যস্ত ছিলেন  গুরুত্ত্বপূর্ন কাজে, ছেলেটি শোনেনি বাবার বকুনি। বাবা তাই নিয়ে নিয়েছে তার প্রিয় কুকুরছানাটিকে। ছেলেটি বাবার  কাছে অনুরোধ করছে তার কুকুরকে ফিরিয়ে দিতে। আর প্রতিজ্ঞা করছে  তার প্রিয় কুকুরছানাটিকে নিয়ে খেলা করলেও সে বাবাকে বিরক্ত করবে না । এমন তো আমরা নিজেদের ছোটবেলায় কত করেছি, সেই ছোট্ট ছোট্ট স্মৃতি উস্কে দিয়ে যায় এই ছবি । ২. এই ছবির কোলাজ ভিক্টরিয়ান যুগের, ছবির সময়কাল ১৮৯০ খ্রিস্টাব্দ, নিজেদের মধ্যে খুনসুটিতে মগ্ন এই দম্পতি। যদিও গম্ভীর থাকারই চেষ্টা করেছিল দুজনে, কিন্ত শে

কলকাতার জলছবি : Photos of Old Kolkata & The Stories

কিছু তথ্য আর কিছু গল্প- এই নিয়েই বোধহয় এক একটি ছবির ইতিহাস লেখা হয়। আমার এই লেখায় স্থান করে নিয়েছে ভিন্ন স্বাদের পাঁচটি ছবি যাদের সম্পর্কে তথ্য পাওয়া যায় খুব কম, তাই মনের মধ্যে লিখে নিতে হয় এর পিছনের ইতিহাস।  আজ আমরা দেখবো কলকাতাকে। না, পটভূমিকা  ঠিক আধুনিক কলকাতা নয়, বরং আজ আমরা একটু ফিরে দেখবো পুরোনো কলকাতাকে। কিছু ছবি, যা পেয়েছি গুগল এর সৌজন্যে; ছবিগুলো ইন্টারনেটে পাওয়া যায়, শুধু লেখাটা আমার। আমি আমার মতো করে চেষ্টা করেছি সেই পুরোনো কলকাতাকে ফিরে দেখতে। এক  একটা ছবিকে কেন্দ্র করে তৈরি করেছি নিজস্ব  কিছু গল্পের বুনোট। কলকাতার ব্যস্ততা- পুরোনো সেই ট্রাম, অপেক্ষমান লোকজন, কোথাও পৌঁছতে চাইছে , ঘরে ফেরার তাড়া-  মিলিয়ে মিশিয়ে কলকাতার একটা ব্যস্ত দিনের ছবি।রাস্তার একপাশে দাঁড়ানো ক্লান্ত গাড়িটাও একটু জিরিয়ে নিচ্ছে। জেগে উঠেছে কলকাতা। তার অবিরাম, নিরলস চলার এক টুকরো ছোঁয়াচ।  হয়তো ব্যস্ত সময় তখন, ব্যস্ত সন্ধ্যা কোনো, আবার হয়তো সারাদিন ই চলে এমন ব্যস্ততা। ব্যস্ত বাজার - খরিদারিতে ব্যস্ত কিছুজন । কিছুজন আবার মন দিয়ে করছে দরাদরি। কিছুজনের চোখ আবার রকমারি জিনিসের গুন্ পরী