সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

personalmemoir লেবেল থাকা পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

ডায়েরির পাতা থেকে - ১০ / Personnel Memoir - 10

আবার সেই জীবনে ফেরা।  ২১.০১.২০১৬ মন পবনের ঢাল, ওরে তোর আদরের নিয়তি চাল।  নিয়তি আসলে কি বা কোথায় আমাদের নিয়ে যায়, নিয়তির কোনো নির্দিষ্ট চাল অথবা কোনো নির্দিষ্ট ভাগ বা ভালোবাসার সংগ্রহ আছে কি ? নিয়তির নির্দিষ্ট চালে আমরা চলেছি সবাই,  সবারই  যাবার অবশ্য কোনো নির্দিষ্ট জায়গা নেই , চলতে হয় তাই চলা , কথা বলা, আর ভালো থাকার চেষ্টা করা।  নিয়তির নির্দিষ্ট করে দেওয়া রাস্তাটা একটা নিয়তির মতো মনে হয়। নিয়তির অমোঘ টানে আমরা চলেছি, আমাদের সবার জীবনই বয়ে চলেছে। আমি আর আমার ভালোবাসার মানুষও যেন একটা নিয়তির অমোঘ টানে চলেছে আর তার চলার অবশেষটুকু আমাদের জীবনের শেষপর্যন্ত থাকবে।  ২২.০১.২০১৬ ঝগড়ার মধ্যে একটা আলাদা আদর আদর মাধুর্য আছে।  মিষ্টি মিষ্টি কথা আছে, ছোট্ট ছোট্ট অভিমানগুলো আছে যা মনকে ভরিয়ে দিতে থাকে। ঝগড়া হয়, আবার আদরের মধ্যে দিয়ে সব মিটমাটও হয়ে যায়। চোখের মধ্যে দিয়ে, চোখের ভিতর দিয়ে অনেক কথা বলা হয়ে যায়। মনের ভিতর দিয়ে, বুকের ভিতর দিয়ে একটা প্রিয়তম অনুভূতির মধ্যে দিয়ে আস্তে আস্তে পথ চলা শুরু করতে ইচ্ছে করে। একটা অনুভূতি শুরু হয়, ইচ্ছে হয় , আরও ইচ্ছে হয় এই অনুভূতির। আজ থেকে যেন একটা নতুন

ডায়েরির পাতা থেকে - ৯ / Personnel Memoir - 9

আজকাল কোনো যান অনেক বেশি অবসন্ন লাগে।  ১৫.০১.২০১৬ পৃথিবীতে অনেক রকম ভালোবাসা আছে। কয়েক রকম ভাগে ভাগ করা যায়। ভালোবাসা আর ভালোবাসার মধ্যে না ভালোবাসা ! না ভালোবাসারও কতক রকমফের থাকে। আস্তে আস্তে তারাও বর্তমানে বিলীন হতে থাকে। ভালোবাসার মধ্যে যে অখন্ড আদর থাকে তারা নিজেদের মধ্যে খেলা করতে থাকে। নিজেদের মধ্যে খেলা করতে করতে তারা কেন জানি না নিজেদের মধ্যে আদরও ভাগাভাগি করে নেয়। আদরগুলোকে আবার ভালোবাসায় জড়িয়ে নেয়। ছোট্ট ছোট্ট ফুলের মত টুকটুকে মিষ্টি মিষ্টি চোখের চাউনিগুলো প্রশমিত হতে থাকে। প্রশমিত কিংবা অর্ধেক অর্ধেক ভালোলাগায়, আদরে বিভূধিত। কিন্তু অযথা !  ১৬.০১.২০১৬ কোথা কোথা তোমায় হারাব আর কোথা কোথা খুঁজি ফিরব ! কোথায় ,কোথায় আর কোথায় - আমাদের আর তোমাদের ছোট্ট ছোট্ট ভালোলাগা আর মন্দলাগা একটা দুর্ঘটনা ছাড়া তো কিছুই ছিল না। সত্যি একটা দুর্ঘটনা ছাড়া আর কিছু হতে পারত না। কোথায় কোথায় তামাদি অথবা অসত্য না হওয়া ঘটনাটা ঘটতে থাকবে। অসত্য অথবা অর্ধসত্য ঘটনার কোনো দস্তাবেজ থাকে না কিংবা থাকার চেষ্টাও একটা বাতুলতা মাত্র। কিন্তু চেষ্টার বাতুলতা আর হিমশীতল স্পর্শের মতো একটা আঘাত কোথা দিয়ে য

ডায়েরির পাতা থেকে - ৮ / Personal Memoir- 8

এই কি তবে হালফিলের জীবন ? ০৯.০১.২০১৬ কথায় কথায় যে কেন মানুষ communication ঠিক করে করতে পারে না ! অবাক কান্ড কোনো মানুষ যখন কিছু একটা বলবার সদিচ্ছা রাখছে তখন সে কি ঠিক ভাবে , প্রত্যয়ের সঙ্গে নিজের ভিতরের বক্তব্য -যে কথাগুলি ভিতরের গুলিয়ে উঠছে সেগুলো বলবার মতো কেন একটা মানুষ নিজের মধ্যে জুগিয়ে উঠতে পারে না ? communication এমন একটা বস্তু কিংবা পদার্থ , যা কিনা অবিরত মাথার মধ্যে কিংবা মনের মধ্যে ঘুরপাক খেতে থাকে। কিন্তু ঘুরপাক খেলেও তা যেন মনের ভিতরেই আটকে থাকে। মন থেকে বাইরে আর বাইরে থেকে ভিতরে প্রকাশের রাস্তাই খুঁজে পেতে থাকে।  ১০.০১.২০১৬ আজ বাইরের দিনটাকে ঠিকভাবে উপভোগ করলাম।  উপভোগ আর উপভুক্ততা একইসঙ্গে একইভাবে নিজের মতো করে ভালোবাসতে ভালো- লাগল। কিছুটা সময় নিজের মতো করে নিজের ইচ্ছা মতো সময় যাপনের আদর নিতে ইচ্ছা করে। ফোনালাপের মধ্যে দিয়ে যে ভালোবাসার আদরের ছবিটা চারিয়ে গেছে মনের মধ্যে, আদরের একটি চুম্বনের মধ্যে তোমার কথাই মনে প'ড়ে বারে বারে।  একা থাকার , একা থাকায় মনে মনে একটা আলাদা মজা পাওয়া যায়। একা থাকা কিংবা নিজের মধ্যে , নিজের মনের সঙ্গে একা থাকার একটা আলাদ

ডায়েরির পাতা থেকে - ৭ / Personal Memoir- 7

জীবনের মানে খুঁজতে খুঁজতে  ক্লান্ত, এবার জীবন খুঁটে খুঁটে বাঁচতে চাই।  ০৩.০১.২০১৬ যক্ষকে নিজের পুরীতে ফিরিয়ে দিয়ে গেলাম তাতে তো কোনো  ক্ষতিসাধন কারো হ'লো না। কিন্তু লাভও বা কি হ'লো। মাঝখান থেকে হৃদয় থেকে এক একটা পাতাঝরার মতো ক্ষত যেন রক্তাক্ত হতে থাকল। কোথাও কোথাও যেন আজন্ম কালের মতো ভালোবাসাগুলো নিজেদেরকে ভালোবাসছিল , তাদেরকে নিজের দ্যোতনায় দুলতে দিয়ে কিসের যেন একটা অভাব থেকে যেতে লাগল। কোথাও তো একটা ফাঁকা থেকে যায় ,কোথাও তো একটা ফাঁক থেকে যায় ! একটা ভাতের গোরাসের মতো মুখে তোলার সময় একটা ভাতের দানার সাথে কোথাও কোথাও আরবাছা কাঁকরের মতো ছোট একটু আদরও মিশতে থাকে। ছোট ছোট আদার, সে যেন বড্ড ছোট্ট ছোট্ট আদরের আখ্যান।  ০৪.০১.২০১ কথা নিশ্চুপ হয়ে গেছে।  কথা কোথাও যেন শোনা যাচ্ছে না , কথার কোথাও মাথাদের ছেড়ে গেছে। আমাদের মধ্যেকার সেই ভালোবাসা মাখা বিচ্ছেদগুলো একটু একটু করে টুকরো হচ্ছে। আরো হয়তো টুকরোর দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। এরপর পুরো মনের বাঁদিকটাই টুকরো হয়ে ভেঙে যাবে, কিন্তু কোনো কোনো সময় মনের দান্দিকতাও ভেঙে যেতে পারে। আচ্ছা, ভিক্টরিয়ার পরীটা কেমন আছে ? তারও কি বুক ভাঙে

ডায়েরির পাতা থেকে - ৬ / Personal Memoir- 6

সম্পর্কে বাঁধা পড়তে ভালো লাগে, কিন্তু মুক্তি পেতে কি তার থেকেও বেশি ভালো লাগে না ? ২১.০৫.২০১৪ ভালোবাসা চিরন্তন। না স্থায়িত্ব সম্পর্কে কোনো ভাবেই সন্দিহান নই। কিন্তু এই ভালোবাসা কথাটার অস্তিত্ব সম্পর্কে সন্দিহান। এক একটা করে দিন খুলতে থাকার মত ভালোবাসার মাপ বাড়তে থাকে। A eternal love story with momental music of the entire life time. অপেক্ষা, নিরন্তর অপেক্ষা , অনন্তকাল জুড়ে অপেক্ষা , অপেক্ষার কোনো অন্তহীন নিষ্পত্তি হয় না। একমাত্রিক , এক সংবেদকে কখনই এককেন্দ্রিক বিচার্যতার অন্তরালে আনা যায় না। তাহলে কোথায় পর্যবসিত হয়। চিন্তার গহনে গভীরে ভালোবাসার কোনো আকাঙ্খা পূরণ হয়ে যায় কি ? ফিরে আসে হাজার হাজার বছর ধরে লক্ষ বছরের কোলে ডুবে থাকা ভালোবাসারা  ফিরে আসতে  থাকে। কোথায় কোথায় যেন ভালোবাসাগুলো হারিয়ে যায় , বাঁক নেয়। পূর্বজন্মের অস্তিত্বের মতো একটা একটা করে বাঁক নিয়ে নেয়। The bold time that slightly and meaningfully round and wound up the fulfilling authority of love and mournful and sadness. ১৭.০২.২০১৫ কেমন করেই বা স্থায়িত্ব আসে, আর কেমন করেই বা তা যায় , কোথা থেকে আসে আর কোথায় বা য

ডায়েরির পাতা থেকে - ৫ / Personal Memoir - Part 5

ভালোবাসার কথা? সে তো অনেক দিন হয়ে গেলো পুরোনো হয়ে গেছে। ৩১. ০৫.২০১৩ ভালোবাসার কোনো অর্থ আর বর্ণ হয় না। ভালোবাসার শুধু জীবনস্মৃতি হয়। ভালোবাসার আলাদা একটা খাতা হয়। ভালোবাসা মনকে নতুন করে নরম করে। ভালোবাসা নতুন করে পথের বাঁকে মনের অগোছালো আলোতে ভালোতে-বাসাতে আলগোছে চলতে শেখায়। অগোছালো ভালোবাসা, অগোছালো আলোতে চলতে চলতে এক আধটা ঝাপ্টা, দাপটের শেষে এক একটা কথা যেন কথায় কথায় কথা বাড়িয়ে দেয়। ভালোবাসার কথা ভালোবাসার মতো করে বোঝা যেতে পারে। টুকরো টুকরো করে একটা আস্ত চিঠি লিখে বোঝা যেতে পারে, ভালোবাসার ছোট্ট ছোট্ট কথাগুলোকে। তারপর আর তার পরের কথাগুলো আস্তে আস্তে ছোট ছোট টুকরোয় ভাগ হতে থাকবে। একটা একটা করে পরে যেতে থাকবে। একটা একটা করে আলোর ধারাপাতের মতো ভালোবাসার টুকরো টুকরো পাতা ফুলের মতো সুগন্ধিত হয়ে হয়ে ছড়িয়ে পড়তে থাকবে। আর একটা প্রেমের পাতা ছড়িয়ে যেতে থাকবে। প্রেমজ কবিতা ,প্রেমজ সুতীর্থ অবগত ভাসমান আলোর কথকতা পরে যেতে থাকবে। আর ভালোবাসা বাঁচবে।  ১৫.০৯.২০১৩ বাইরে বৃষ্টি হচ্ছে। সামনের ল্যাম্পপোস্টের গা থেকে জল পরছে অঝোরে। অনেক দিন পরে জল ঝরে পড়ার যেন একটা অলীক শব্দ শুনতে পাচ্ছি। ম

ডায়েরির পাতা থেকে-৪ / Personal Memoir - Part 4

প্রতিবার লিখতে বসে এত একা লাগে কেন ? ২২.০২.২০১৩  Loneliness and Solitude ! Difference কি?  Solitude সবার মাঝে একা। Loneliness নিজের মাঝে একা। একা একা  থাকা। একা একা বাঁচা। নিজে নিজে বাঁচতে বাঁচতে , একা একা থাকতে থাকতে নিজের মধ্যেই কোথাও সেঁধিয়ে যেতে শুরু করি। শুধু কাজ খুঁজে থাকি। শুধু কাজ। বেঁচে থাকাও তো একটা কাজ। একা থাকাও তো একটা কাজ। জনজীবনে ভেসে বেড়ানোও তো একটা কাজ। ভাসতে ভাসতে শুধু একূল থেকে ওকূল আর ওকূল থেকে একূলে চলে আসছি। বল ঠেলে ঠেলে খেলা। Prediction সত্যি হয় তো। হয় তো সত্যি ! সত্যি তো হতেই হবে। না হলে তো সব কিছু ওলোট- পালোট  হয়ে যাবে। ওলোট -পালোট হয়ে পুরোনো হয়ে যাবে। সমস্ত জীবন গুলো পুরোনো হয়ে যাবে। সমস্ত আবর্তগুলো পুরোনো হয়ে যাবে। একা একা রিক্ত জীবন নিয়ে কি করা যাবে ! মরে যাওয়া যায় কি ? মরে গেলে তো সব জীবনের শেষ। কোনো জীবনে কিছু জীবন বাকি থাকতে পারে আমাদের জন্য। রিক্ততা ভোলার জন্য। নতুন করে পাতাঝরা শুরু হয়েছে। পাতা পরা আবার শেষ হবে কবে জানি না। হয়ত মানতেও চাইব না আর।  ২৭.০২.২০১৩ গোপন ইতিহাস ! কোন গোপনতার অধীরে লুকিয়ে থাকে কোন ভালোবাসার গল্প। পৃথিবীর ছোটো ছোটো ইতিহা

ডায়েরির পাতা থেকে-৩ / Personal Memoir - Part 3

জানি না কি লিখছি, কিন্তু পুরোনো লেখাগুলো নিয়ে বসতে কেমন যেন অগোছালো লাগছে।  ১৪.০২.২০১৩ মস্তিষ্কের  বিকার কি একটা আবরণ নাকি আবরণের আড়া লে    কোনো একটা জগৎকে ঢাকার চেষ্টা ? সেই জগৎ  আসলে সবকিছুকে ওলোট-পালট করে দেওয়ার জগৎ। সেই জগৎ আসলে সব কিছুর অন্তরালে থাকা আজব দুনিয়ার আজব সভ্যতার জগৎ। সভ্যতার মূলে খুলে আসে আর জগৎ ফিরে ফিরে ''আগত'' হয়। আগাছা সমূহ মূলোৎপাটন ঘটে। অদ্ভুত এক জন্মান্তরে অপেক্ষা করতে থাকে । জন্মান্তর থেকে জন্মান্তরে পৌঁছয়। আমাদের অপেক্ষমান জনতার ঝুঝতে ঝুঝতে পৌঁছনোর শতায়ু মন্থনের মধ্যে অবিনশ্বর শেখার এক আরামদায়ক জিয়ন্তি নিয়ন্ত্রিত জীবন এগিয়ে আসতে থাকে যার আড়ালে বসে থাকে মস্তিষ্কের ক্ষরণের, মস্তিষ্কের বিকারেরা।  অনেক পদ্মজন্ম জন্ম নেয়, পালানোর কোনো উপায় তো থাকে না। জন্মান্তরের কোনো ক্ষনে কি জন্মায় কোনো কোনো মস্তিষ্কের বিকার ? আজন্ম লালিত আদর ছোঁয়ানো মনের বিকার, প্রকার, আকার, নিরাকার যেন শৃঙ্খলিত শিবের সঙ্গে জড়িয়ে জুড়িয়ে আছে। আছে তো, জীবনের রসদের মতো আলোর সামনে দাঁড়িয়ে। মস্তিষ্কের বিকার শত - যোজন দূরে দাঁড়িয়ে আছে, একা , একক ,একমাত্র।  ১৫.০২.২০১৩ বন্দে মা

ডায়েরির পাতা থেকে-২ / Personal Memoir - Part 2

আবার খুলছি ডায়েরির পাতা, আবার সামনে এলো হিজিবিজি কত কথা।  ০৮. ০২. ২০১৩ দিন ছিল ভালো। সময় তার ঠিক জায়গাতেই আছে। আকাশের মন ভালো ছিল না। কেমন আছি ? তথ্য তরঙ্গিত হয়। যেমন থাকার তেমনি আছি। সবই ঠিক - ঠাক। এই ঠিক- ঠাক থাকতে গিয়ে ভুল-ভাল থাকাটা আর হয়ে উঠল না। সব ভুল ভাল। সব কুরে কুরে খায়। আজ আরও এক বছর পেরিয়ে গেলো। এক বছরের কত অভিজ্ঞতা যে খাতা ভর্তি হয়ে গেল, কে বলবে সে কথা। খাতা থেকে Pen  এ  গে'ল আর Pen  থেকে খাতাতে  গে'ল। কলমের ডগায় কত গল্প চলে এল, আর গল্পের ডগায় Pen এলো। কত আঁকি বুঁকি কাটা হ'লো খাতায় আর মনের পাতায়। কোনো কোনো ঘটনা মনের ভিতর থেকে সব কিছুকে নিয়ে শূন্য করে দেয়। আর সব কিছুকে নিয়ে কবিতা বানাতে বসতে হয়। তখন আর লেখারা আসতে চায় না। লেখার বন্ধ থাকতে চায়। এতগুলো আত্মকথার চরিত্র, এতগুলো আত্মকথাগুলোর পিছনে কি সাধু-উদ্দেশ্য আছে নাকি সবই কেবল -খাটানো। নাম -খাটানোই বলা যেতে পারে। একটা জীবনের জন্য এগিয়ে গিয়ে ফিরে  যাওয়া।  ০৯.০২.২০১৩ A Sleepy Consciousness, আমাদের মধ্যেকার কোনো জগৎকে ফুরিয়ে দেয় সেটা। বিভাজন রেখা কি শুধু মনন মাত্র ? না উদ্দীপন আর উদ্ভাবনের মাঝখানে রাখা না

ডায়েরির পাতা থেকে - ১ / Personal Memoir - Part 1

একটা সময় ডাইরি লিখতাম, এখন আর লিখি না। তেমন হয়তো কিছুই না, কিছু হিজিবিজি মনের ভিতরে যা কিছু ঘটে যায় তাই লিখে রেখে দিতাম। অনেকদিন খাতা বন্দি হয়ে পরে ছিল। আজ সেগুলি লিখে দিচ্ছি নিজের ব্লগ-খাতায়। নিজের কাছে নিজের কিছু বলার থাকে, আর সেটা আমি বলতাম ডায়েরিতে। একটা সময়  লিখে রাখতাম নিয়মিত , এখন আর লিখি  না। তেমন হয়তো কিছুই না, কিছু হিজিবিজি যা মনের ভিতরে যা কিছু ঘটে যায় তাই লিখে রেখে দিতাম। খাতা বন্দি হয়ে পরে ছিল। কি মনে হল, ভাবলাম ভাবনার কথাগুলি একটু বলেই ফেলি, হয়তো অদ্ভুত লাগবে, তবুও , কি মনে হল। আমার  ডায়েরির  টুকরো টাকরা কোলাজ লেখা গুলো তুলে দিলাম ব্লগ-খাতায়। সবই   ছড়ানো ভাবনা যা একত্রিত করে লিখে দিলাম।  ডায়েরির পাতা অনেকদিনই বন্ধ , তখনকার  চিন্তা-টুকরো গুলো ছড়িয়ে দিলাম। ধারাবাহিক ভাবে লিখবো এটা। ০১.০২.২০১৩ জগতে বহমান কাল পথিকের মতো চলতে থাকে।  দাঁড়াবার  ফুরসৎ টুকুও যেন গোপন কুঠুরিতে তুলে রেখে এসেছে। দিনবদলের পর রাত  বদল ঘটতে থাকে।  প্রতিদিনকার খোঁচা খাওয়া জীবনটা কে নিয়ে কি  মাঝে বুঝে উঠতে পারি না। মাঝ- দরিয়ার নৌকো নিয়ে চললে যেমন জীবন কে জলছবি বলে মনে হয়, তেমনই দিনাতিপাতের শব্দগুচ্