সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

জানুয়ারী, ২০২১ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

‘সাহিত্যের অগ্রগতি আসলে একটি জাতির আরোহণ’ - মুন্সী প্রেমচাঁদ- শেষ পর্ব‘/ The ascent of literature is the ascent of a nation’- Munsi Premchand

n মুন্সী প্রেমচাঁদ: image courtesy: wekipedia.org  এই গল্পগুলি আমাদের ধর্মের প্রাণ। এই গল্পগুলি সরিয়ে নিলে, ধর্ম হোঁচট খাবে। ধর্মের প্রবক্তারা এই কারণেই  এই গল্পগুলিতে আশ্রয় নিয়েছিলেন। তারা বুঝতে পেরেছিলেন  যে তাদের বার্তা কেবলমাত্র  হৃদয়ছোঁয়া গল্পের মাধ্যমেই মানুষের প্রাণের কাছে  পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হতে পারে। এই সাধকেরা ছিলেন মহান  মানুষ, তারা তাদের নিজেদের  সত্ত্বাকে সাধারণ মানুষের জীবনের সাথে মিলিয়ে দিতে পেরেছিলেন। এই সাধকেরা সাধারণ মানুষের সাথে নিজেদের জীবনের আর মতবাদের সঙ্গতি, সাদৃশ্য এবং সামঞ্জস্য রেখেছিলেন। কীভাবেই বা  তারা মানব-চরিত্রের বিভিন্ন দিককে  উপেক্ষা করতে পারেন! প্রাচীন কাল থেকে, একজন  মানুষের নিকটতম সঙ্গী কিংবা প্রতিবেশী ছিল অন্য্ একজন মানুষই। আমরা আমাদের আত্মাকে কেবলমাত্র  তাদের সাথেই  একীভূত করতে পারি যাদের আনন্দ এবং বেদনা, হাসি এবং অশ্রু আমরা অনুভব করতে পারি। একজন শিক্ষার্থীর তার ছাত্রজীবনের সাথে যে সম্পর্ক বা একজন কৃষকের কৃষিকাজের প্রতি যে সম্বন্ধ অথবা  সখ্যতা রয়েছে তা নিশ্চয়ই অন্যের জীবনের বা কাজের জন্য তাদের মধ্যে খুঁজে পাওয়া যাবে না। সাহিত্যের অঙ্গনে প্রবেশ

‘সাহিত্যের অগ্রগতি আসলে একটি জাতির আরোহণ’ - মুন্সী প্রেমচাঁদ- প্রথম পর্ব/ ‘The ascent of literature is the ascent of a nation’- Munsi Premchand

হিন্দি সাহিত্যে  মুন্সী প্রেমচাঁদ এক অবিস্মরণীয় নাম।  সাহিত্য রূপ বিশ্লেষণে  কি ভেবেছেন তিনি ? কিভাবেই বা তিনি দেখতেন  সাহিত্যকে  ?  মুন্সী প্রেমচাঁদ: image courtesy: wekipedia.org জীবনই হ'ল সেই ভিত্তি যার উপরে সাহিত্য নির্মিত হয়, সাহিত্যের প্রতিটি রূপ স্থাপিত হয়। একটি বিল্ডিংয়ের মিনার, গম্বুজ এবং হলঘরগুলি দৃশ্যমান হয় কিন্তু এর ভিত্তিভূমি অদৃশ্য রয়ে যায়। জীবন ঈশ্বরের সৃষ্ট, এবং তা সীমাহীন এবং অনিবার্য, তা অনির্বচনীয়। সাহিত্য মানবের দ্বারা সৃষ্ট, তাই তা বোঝা এবং উপলব্ধি করা সহজ। ঈশ্বরের কাছে জীবন দায়বদ্ধ কিনা তা আমরা নিশ্চিত করে বলতে পারি না, তবে সাহিত্য অবশ্যই মানুষের কাছে জবাবদিহি দাবি করে। সাহিত্যের নির্দিষ্ট কিছু নিয়ম রয়েছে যা আমরা অগ্রাহ্য করতে পারি না। একজন মানুষ জীবনের গোলকধাঁধায় আনন্দের সন্ধানে নিজেকে নিমজ্জিত করে। কিছু মানুষ ধনরত্নের মধ্যে আনন্দ খুঁজে নেবার চেষ্টা করে, কেউ সুখী পরিবারে, কেউ বড় বড় অট্টালিকায়, কেউ বা বিলাসিতায় আনন্দ খুঁজতে থাকে অবিরাম। ভাল সাহিত্য পড়ার আনন্দ এই আনন্দগুলির চেয়ে বৃহত্তর এবং এই আনন্দগুলির অপেক্ষা অনেক বেশি শুদ্ধ, কারণ এর ভিত্তি সৌন্দর্য

নিরঞ্জনবাবু / ছোটগল্প সিরিজ- গল্প -৩ / Bengali Short Story

নিরঞ্জনবাবু রোজ এসে এই পার্কের বেঞ্চিতে বসেন। সকাল সাতটা আর আর বিকেল পাঁচটা।  সময় দুটো একদম ঠিক করা আছে। কোথায় যেন একটা টিয়া পাখি ডাকছে না ? নিরঞ্জন বাবু ঘাড় ঘুরিয়ে এদিক ওদিক দেখবার চেষ্টা করলেন।  ছোট বেলায় গ্রামের বাড়িতে যেতেন, তখন টিয়ার ঝাঁক দেখতে পেতেন,  কি সুন্দর ! এক জায়গায় অনেকগুলো পাখি বসে থাকত, হাততালি দিয়ে তাদের উড়িয়ে দিতে চেষ্টা করতেন। খুব মজা পেতেন তাতে , এখন একবার দেখবেন নাকি ? ওই তো ওই জামরুল গাছের ডালটায় অনেকগুলো টিয়া বসে ডাকছে। এই বয়েসে এই রকম ছেলে মানুষি মানায় নাকি ?  কিন্তু কেই বা দেখতে যাচ্ছে এখানে , সবাই নিজেকে নিয়ে ব্যস্ত।  ওই তো ওপাড়ার জগাদা মর্নিওয়াক করতে এসেছে। কানে একটা হেডফোন নিয়ে নিজের মনে জোরে জোরে হাঁটছে। পাশের বেঞ্চে একটা ছেলে - আর একটা মেয়ে বসে...এত সকালে এখানে কি করছে এরা ? দেখে তো মনে হয় স্কুলে পড়ে। এত গুজগুজ ফুসফুস করে কি এত গল্প করছে ? অবাক নিরঞ্জন বাবু, একি রে! এই বয়েসে প্রেম ? তাও  আবার এতো সকালে ফাঁকা পার্কে বসে ? স্কুল নেই এদের ? নাকি কোচিং যাবার নাম করে এখানে এসে বসে আছে ? অদ্ভুত সব! নিরঞ্জন বাবু কিঞ্চিৎ বিরক্ত, তাও  নিজেকে সামলালেন। তবে ভারী ভ